খড়গপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব,মারধর করা হল প্রাক্তন কাউন্সিলর বাবলা সেনগুপ্তকে

KGP 24X7: মারধর করা হল তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর আশীস ওরফে বাবলা সেনগুপ্তকে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে খড়গপুর শহরের ইন্দা এলাকায়।

অভিযোগের তির খড়গপুর পুরসভার প্রশাসক তথা প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ সরকার ঘনিষ্ঠ যুব তৃণমূলের নেতা হায়দার আলি খান ওরফে মান্টার বিরুদ্ধে। ঘটনায় বিড়ম্বনায় পড়েছেন তৃণমূলের নেতারা। এই ব্যাপারে তৃণমূলের খড়গপুর শহর কমিটির সভাপতি রবিশংকর পান্ডে বলেছেন ” ঘটনাটি শুনেছি। আরও বিস্তারিত খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।” আর তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক অজিত মাইতি বলেছেন ” ঘটনার বিষয়টি জানতে পেরেছি।

দেখছি বিষয়টি নিয়ে। খোঁজ খবর নিচ্ছি।” তবে বারবার ফোন করা হলেও ফোন ধরেন নি খড়গপুর পুরসভার প্রশাসক প্রদীপ সরকার। এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খড়গপুর) রানা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন ” এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের হয় নি। অভিযোগ হলে খতিয়ে দেখা হবে।” তবে তিনি জানিয়েছেন এরকম একটি গন্ডগোলের খবর পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে এইদিন সন্ধ্যাবেলায় খড়গপুর শহরের ইন্দা কমলা কেবিন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে একা ছিলেন আশীস ওরফে বাবলা সেনগুপ্ত।

রাত আটটা নাগাদ তৃণমূলের যুব নেতা হায়দার আলি খান ওরফে মান্টার নেতৃত্বে বিশাল এক বাহিনী কার্যালয়ে চড়াও হয়। প্রথমে কার্যালয়ে ঢুকে নির্বাচনের সময় প্রদীপ সরকারের সাথে বেইমানি করার অভিযোগ তুলে মারধর শুরু ‌করা হয়। তারপরে তাঁকে টেনে কার্যালয়ের বাইরে এনে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়। তাঁর মাথা ফেটে যায়।

কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ ফেরার সময় একটি বোম ছোঁড়া হয়। আপাতত জখম তৃণমূল নেতা আশীস ওরফে বাবলা সেনগুপ্তকে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন পুরো ঘটনাটি হায়দার আলি খান ওরফে মান্টার নেতৃত্বে হয়েছে। তাঁর অভিযোগ আক্রমণকারীদের মধ্যে কয়েকজন সশস্ত্র ছিলেন। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।