Saturday, October 16, 2021
Homeরাজ্যপুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদানের ৫০ হাজার টাকার সম্পূর্ণ হিসাব দিতে হবে,নির্দেশিকা কলকাতা...

পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদানের ৫০ হাজার টাকার সম্পূর্ণ হিসাব দিতে হবে,নির্দেশিকা কলকাতা হাইকোর্টের

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদানের টাকার হিসাব দিতে বলল হাইকোর্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখার্জির ডিভিসন বেঞ্চ বলেছে, সরকারি অর্থ কোন খাতে খরচ করা হয়েছে তার হিসাব রাখতে হবে।

 

- Advertisement -

সেই হিসাব নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে আদালতে জমা দিতে হবে। রাজ্য সরকার পুজো কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছে। সেই অর্থ খরচের হিসাব বা অডিট রিপোর্ট গত বছরও আদালত চেয়েছিল কিন্তু তা আজও জমা পড়েনি। তবে গত বছর কলকাতা হাইকোর্ট সরকারি অর্থ পুজো কমিটিগুলি কীভাবে খরচ করবে তার একটা নির্দেশিকা তৈরি করে দিয়েছিল।

গত বছর করোনা সংক্রমণ রোধে এই টাকা খরচের কথা বলেছিল আদালত। মাস্ক, স্যানিটাইজার, ফেসশিল্ড বিলির ব্যবস্থা করতে বলেছিল। এবছর পুজো কমিটিগুলিকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থের মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার শুনানির সময় অ্যাডভোকেট জেনারেল গোপাল মুখার্জি আদালতকে জানিয়ছিলেন রাজ্য সরকার এবছর পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেনি।

অ্যাডভোকেট জেনারেলের এই বক্তব্য শুনে মামলার শুনানি স্থগিত রেখেছিল আদালত। অন্যদিকে রাজ্য সরকার আগেই এবছরও পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেবে বলে ঘোষণা করেছিল। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এই অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট যখন এই মামলায় পুজো কমিটিগুলির কাছ থেকে হিসাব চাইলো তখন রাজ্য সরকার চুপ করেই ছিল।

করোনা আবহে উৎসব উদ্‌যাপন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশিকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আদালত আগেই নির্দেশ দিয়েছিল করোনা সংক্রমণ এড়াতে গত বছরের মত এবছরও দর্শক শূন্য মণ্ডপে পুজো হবে। মণ্ডপের সামনে নো এন্ট্রি বোর্ড, ব্যারিকেড রাখা সহ একগুচ্ছ নির্দেশিকার কথা বলা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখার্জির ডিভিসন বলেছে, করোনা ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ যাঁদের নেওয়া আছে তাঁরা মাস্ক পরে অঞ্জলি দিতে পারবেন এবং সিঁদুর উৎসব পালন করতে পারবেন। তবে এই উৎসব পালনের জন্য আদালত নির্দিষ্ট সংখ্যা বেঁধে দিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীদের একটি অংশ বলেছে, আদালতে এই রায়ের ফলে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হবে।

বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসন নিজেদের কাজ (ডিউটি) করার সময় অসুবিধায় পড়বেন। করোনা টিকার শংসাপত্র নিয়ে কতজন মানুষ উৎসব পালন করবেন তা এখনই বলা যাবে না। তবে এই কাগজ পরীক্ষা করে দেখার ক্ষেত্রে অসুবিধা হবে। এদিকে শুক্রবারই কালীপুজো এবং দীপাবলিতে বাজি পোড়ানো নিষিদ্ধ করার আবেদন জানিয়ে একটি জনস্বার্থের মামলা দায়ের হয়েছে।

আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছে। হাইকোর্টের পুজো অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!