বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক দু’দিন আগে, রাজ্য প্রশাসনের ৫ কর্তাকে সরানোর নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন

খড়গপুর ২৪×৭: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক দু’দিন আগে, বৃহস্পতিবার রাজ্য প্রশাসনের আরও ৫ কর্তাকে সরানোর নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সচিব রাকেশ কুমারের তরফে ওই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

প্রশাসনিক স্তরের পাঁচ কর্তার বদলির নির্দেশের পাশাপাশি, তাঁদের ছেড়ে যাওয়া পদে কারা দায়িত্ব নেবেন, তারও বিশদ তালিকা দিয়ে কমিশন বলেছে এই বদল অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। আর যাঁদের বদল করা হল, তাঁরা রাজ্যে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারবেন না। বদলির নির্দেশে নাম রয়েছে কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ কলকাতা) এবং ডায়মণ্ড হারবারের পুলিশ সুপারেরও।

দক্ষিণ কলকাতার ডিসিপি সুধীর নীলকণ্ঠের বদলির নির্দেশ এসেছে। তাঁর জায়গায় আসছেন আইপিএস কর্তা আকাশ মাঘারিয়া। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকা ডায়মণ্ডহারবারের পুলিশ সুপারের পদেও বদল করা হয়েছে। এতদিন এই পদের দায়িত্বে ছিলেন আইপিএস কর্তা অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর জায়গায় নতুন দায়িত্ব নিচ্ছেন অরিজিৎ সিন্‌হা।এডিজি (পশ্চিমাঞ্চল) সঞ্জয় সিংয়েরও বদলি হয়েছে। তার জায়গায় আসছেন আইপিএস রাজেশ কুমার।

ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আয়েশা রানির পদে দায়িত্ব নেবেন আইএএস জয়েশী দাশগুপ্ত। সরানো হচ্ছে কোচবিহারের পুলিশ সুপারকেও। কে কান্নানের জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হবেন আইপিএস কর্তা দেবাশিস ধর। এর আগেও ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিমকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব নেন দমকলের ডিজি জগমোহন। জাভেদ শামিমকে সরিয়ে দেওয়া হয় দমকলের ডিজির দায়িত্বে। এর পর রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় আনা হয় নীরজনয়নকে। সম্প্রতি নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় মমতার পায়ে আঘাত পাওয়ার পর সরানো হয় তাঁর নিরাপত্তা আধিকারিক বিবেক সহায়কে। এ ছাড়া পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিভু গোয়েল এবং পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশকেও সরানো হয়েছিল।