“নারদ মামলায় শুভেন্দু-মুকুলদের গ্রেফতার নয় কেন? প্রশ্ন ম্যাথু স্যামুয়েলের

খড়গপুর ২৪×৭: নারদ কাণ্ডে গ্রেপ্তার রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়। করোনা আবহেই সোমবার সকালের এই ঘটনার পর উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি।

আর এই পরিস্থিতিতেই এবার মুখ খুললেন ম্যাথু স্যামুয়েল। এই গ্রেপ্তারিতে খুশি হলেও শুভেন্দুকে কেন বাদ? সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তবে আশ্চর্যজনক ভাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা আরেক অভিযুক্ত মুকুল রায়কে নিয়ে চুপ থাকলেন তিনি।

সোমবার ভিডিওবার্তায় ম্যাথু বলেন, “এই মাত্র জানতে পারলাম সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ববি হাকিম-সহ কয়েকজন সিনিয়র তৃণমূল নেতা নারদ মামলায় আটক হয়েছেন। অনেকদিন ধরেই বিচার পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। ২০১৬ সালে এই ফুটেজ জনসমক্ষে প্রকাশিত হয়েছিল। শেষপর্যন্ত ফল পেলাম।

সবাইকে বলেছিলাম, আমি অপেক্ষা করতে রাজি। কারণ বিচার পেতে একটু সময় লাগবে। শেষে সেটা পাওয়া গেল। আরও দু’জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তবে আমার প্রশ্ন হল, শুভেন্দু অধিকারীকে কেন গ্রেপ্তার করা হবে না? তিনিও তো আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। এমনকী টাকা নেওয়ার ভিডিও পর্যন্ত রয়েছে। সিবিআইকেও সেই তথ্য দেওয়া হয়েছে। বিচার সবার ক্ষেত্রেই সমান হওয়া উচিত।”

যদিও এই ভিডিওতে মুকুল রায়ের নাম তিনি নেননি। তবে পরবর্তীতে এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, “মুকুল রায় টাকা নেননি। তাঁর টাকা নেওয়ার কোনও ভিডিও ফুটেজ নেই।” যদিও স্বীকার করে নেন, মুকুলের হয়ে টাকা নিয়েছেন আইপিএস অফিসার এস এম এইচ মির্জা। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের স্টিং অপারেশন নারদ কাণ্ড নিয়ে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

সোমবার সাতসকালেই চেতলার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন ফিরহাদ হাকিম। সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অপর দুই অভিযুক্ত শুভেন্দু অধিকারী এবং মুকুল রায়কে কেন গ্রেপ্তার করা হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূলও।