ঘূর্ণিঝড় ইয়াস পরিস্থিতির নজর রাখতে, নবান্নতেই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

খড়গপুর ২৪×৭: ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের মোকাবিলায় আজ নবান্নেই থাকবেন। নিজেই এ কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ‘৯ লক্ষ লোককে উদ্ধার করা হয়েছে। আমপানের সময় করা হয়েছিল ১০ লক্ষ মানুষকে। রাজ্যে ৪ হাজার ফ্লাড সেন্টার রয়েছে।

সেখানে বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ৭৪ হাজার অফিসার ও কর্মীকে কাজে লাগানো হয়েছে। এছাড়া ৩  লক্ষ  পুলিস, সিভিক পুলিস, হোমগার্ড, সেনা, এনডিআরএফ রয়েছেন।” তিনি আরও বলেন,”আমি নিজেও পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা নিজেরাও নবান্নে থাকব।”

দুর্যোগ ও ভরা কোটাল নিয়ে কয়েকটি জেলাকে সতর্ক করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘’অনেক জায়গায় গঙ্গায় জল বাড়ছে। এটা আমাদের কাছে একটু বেশি চিন্তার বিষয়।‘’ ফিরহাদ হাকিম বাড়িতে থেকেই গোটা পরিস্থিতির মনিটরিং করছেন। কলকাতা শহর দেখার জন্য ১০ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর কলকাতার দিকে অতীন ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস রায়। মধ্য কলকাতার দায়িত্বে স্বপন সমাদ্দার, জীবন সাহা। দক্ষিণ কলকাতার  জন্য অরুপ বিশ্বাস, দেবাশিস কুমার,  রতন মালাকার, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তারক সিং, অঞ্জন দত্ত দেখবেন খিদিরপুর, বেহালা অঞ্চল।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ‘’রাজ্য সরকারের প্রায় ৭০ হাজার আধিকারিক ও কর্মচারী থাকছেন। এছাড়াও পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর, এনডিআর‌এফ, এসডিআর‌এফ, উপকুলরক্ষী বাহিনি,  আশা কর্মী,  সিভিক ভলান্টিয়ারসহ প্রায় তিন লক্ষ কর্মী রাস্তায় রয়েছেন। সবাইকে নিয়ে একটা মাস্টারপ্ল্যান আমরা করেছি।‘’

আমফান থেকে রাজ্যে অনেকটা শিক্ষা নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিন্তায় উপকূলবর্তী মানুষ। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘’আমার খুব খারাপ লাগে নদী উপকুল অঞ্চলে যাঁরা থাকেন তাঁদের কথা ভেবে। তবে মানুষকে বলবো চিন্তা করবেন না। আমরা পাশে আছি। যেখানে প্রয়োজন হবে সেখানে সেনা নামানো হবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকেই ব্যবহার করা হবে।‘’