Saturday, July 2, 2022
Homeজেলাবীরভূমডাকঘরের অর্থ তছরুপের অভিযোগ,ঘটনার তদন্তে ডাক বিভাগ!
Advertisement

ডাকঘরের অর্থ তছরুপের অভিযোগ,ঘটনার তদন্তে ডাক বিভাগ!

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: ডাকঘরের অর্থ তছরুপে একা পোস্ট মাস্টার সুদীপ্ত মণ্ডল জড়িত নাকি এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে, তার তদন্ত শুরু করেছে ডাক বিভাগ। তবে ‘যারাই এর সঙ্গে যুক্ত তাদের কাউকে ছাড়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ডাক বিভাগের জেলা সুপারিন্টেনডেন্ট মৃগাঙ্ক মাইতি।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

তিনি বলেন, “এই টাকা গ্রাহকদের কোনও খাতের টাকা নয়। এটা ডাক বিভাগের ক্ষতি। উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।” রবিবার বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার সুদীপ্ত মণ্ডলকে ডাকঘরের টাকা বেআইনিভাবে নিজের হেফাজতে রাখা ও তার অপব্যবহারের জন্য গ্রেফতার করে সদাইপুর থানার পুলিশ।

আদালতের নির্দেশে তিনি এখন সদাইপুর থানার পুলিশ হেফাজতে। এদিকে সুদীপ্তের এই অপকর্মের জন্য সিপিএম ও বিজেপি দুই ডাক কর্মচারি সংগঠনের মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কারণ অভিযুক্ত সুদীপ্ত মণ্ডল দীর্ঘদিন সিপিএমের ডাক কর্মচারি সংগঠনে থাকলেও বর্তমানে বিজেপির ডাক কর্মী সংগঠনের সদস্য।

বাম ডাক কর্মচারি সংগঠন অল ইন্ডিয়া পোস্টাল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের জেলা সম্পাদক প্রভাত পাল বলেন, “গত নভেম্বর থেকে যখন ওই ডাকঘরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত টাকা মজুত রাখছিল, তখনই তার বিরুদ্ধে জেলা ডাক প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে এত টাকা ডাক বিভাগের ক্ষতি হত না।

”তিনি জানান, সুদীপ্ত আগে তাদের সংগঠনের সদস্য থাকলেও বর্তমানে তিনি বিজেপির ডাক কর্মচারী সংগঠনের সদস্য। তার জন্য ডাক বিভাগের বদনাম হচ্ছে। আইনগত শাস্তি দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে বিজেপি ভারতীয় ডাক কর্মচারি সংগঠনের সাধারন সম্পাদক অনন্ত পাল বলেন, “জেলা ডাক প্রশাসনের কর্তারা সময়ে তদন্ত শুরু করার জন্যই তো অপরাধী ধরা পড়ল।”

তিনি স্বীকার করেন সুদীপ্ত তাদের সদস্য হলেও তাকে সংশোধনের শর্তে দলে সদস্য করা হয়েছিল। তার উপর নজরদারি রাখা হয়েছিল। তার জেরেই এই তছরুপের কাণ্ড সামনে এল। ডাক বিভাগের সুপার মৃগাঙ্ক মাইতি জানান, ডাকঘরের হিসাব সংক্রান্ত একটি পদ্ধতি আছে। তাতেই সুদীপ্ত ধরা পড়েছে। তবে সে শুধু একা এই কাণ্ডে যুক্ত নাকি অন্য কোনও কর্মী তার সহযোগী তা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েকমাস আগে পদোন্নতি পেয়ে বক্রেশ্বর উপ ডাকঘরের পোস্ট মাস্টারের দায়িত্ব পান সুদীপ্ত মণ্ডল। সেখান থেকেই ১১ লক্ষ টাকার উপর টাকা তছরুপ হয়। যদিও পুলিশের কাছে প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে সুদীপ্ত এই টাকা খরচের পিছনে লটারির নেশাকে দায়ী করেছেন। তাঁর সঙ্গে কেউ জড়িত আছেন ছিলেন কিনা, তা জানাননি।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!