Wednesday, February 1, 2023
HomeজেলাবীরভূমTET Scam: স্কুলে চাকরি দেওয়ার নামে বহু বেকারেরে কাছ থেকে টাকা তুলেছিলেন,কাঠগড়ায়...
Advertisement

TET Scam: স্কুলে চাকরি দেওয়ার নামে বহু বেকারেরে কাছ থেকে টাকা তুলেছিলেন,কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: প্রাথমিকে চাকরি দেওয়ার নামে এলাকার বহু বেকারের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল নলহাটি ব্লকের এক তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে। কৌশিক দাস নামে এক প্রার্থীর বাবা টাকা ফেরতের দাবিতে রামপুরহাট মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানালেন। মহকুমাশাসক সাদ্দাম নাভাস জানান, তিনি অভিযোগকারীর কাছে বিষয়টি শুনবেন। পরে তদন্ত কমিটি করে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন তিনি।

অভিযোগকারী প্রার্থী কৌশিক দাস জানান, তাঁর বাবা ক্যানসার আক্রান্ত। চাকরির জন্য দেওয়া চার লক্ষ টাকা ফেরত পেলে অন্তত বাবার চিকিৎসা করাতে পারবেন। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা তথা নওয়াপাড়া পঞ্চায়েত প্রধান এমদাদুল হক তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এটা আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্ত।” এদিকে, এমদাদুল হক ও কৌশিকের মধ্যে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা লেনদেনের অডিও ভাইরাল হয়েছে।

- Advertisement -
- Advertisement -

রামপুরহাট মহকুমার তৃণমূলের পর্যবেক্ষক ত্রিদিব ভট্টাচার্য বলেন, “যদি এ নিয়ে অভিযোগ আসে দল তার ব্যবস্থা নেবে। আমরা জেলা কমিটির কাছে এই বিষয়ে জানাবো। নলহাটি দুই নম্বর এক ব্লক স্তরের এক নেতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এমনকী তাঁর বাড়িতে টাকা গোনার জন্য মেশিন পর্যন্ত বসানো হয়েছিল বলে চাকরি প্রার্থীরা জানিয়েছেন। সেই দলের এক সহযোগী হিসাবে নওয়াপাড়া পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান তথা প্রাথমিক স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এমদাদুল হকের নাম উঠে এসেছে।

তারাপীঠ রামপুরহাট মহকুমাশাসকের কাছে এমদাদুল হকের প্রলোভনে পা দিয়ে চার লক্ষ টাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। সামান্য কৃষক গোলকবিহারীবাবু তাঁর ইংরেজিতে এমএ পাস একমাত্র ছেলের থানার লাহা গ্রামের বাসিন্দা গোলকবিহারী দাস বৃহস্পতিবার লিখিতভাবে জন্য এমদাদুলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বলেন, “২০১৪ সালে তখন টাকা দিয়ে প্রাথমিকে চাকরি দেওয়ার চল ছিল এই এলাকায়। আমি জমি বিক্রি করে চার লক্ষ টাকা ছেলে কৌশিক ও স্ত্রীকে নিয়ে লোহাপুর মোড়ে নগদে দিয়ে আসি। টাকা পাওয়ার পর থেকে গত পাঁচ বছর ধরে কাজে যোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছেন এমদাদুল।

এমনকী চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যর নাম করে সেই টাকা নেওয়া হয়েছিল। গত তিন বছর ধরে আমি ক্যানসারে আক্রান্ত। আমার ছেলে এমদাদুলকে দেওয়া টাকা ফেরত চাইতে গেলে তিনি সে টাকা ফেরত দিচ্ছেন না।” চাকরিপ্রার্থী কৌশিক দাস বলেন, “গত এক বছর ধরে প্রধানের বাড়ি, পঞ্চায়েত-সহ বহু জায়গায় দিনের পর দিন ঘুরেছি। উনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কখনও ফোন ধরছেন।

কখনও ধরছেন না। আমার চাকরির দরকার নেই। টাকাটা পেলে বাবার চিকিৎসা করাতে পারি। এমদাদুল সার জানান, পুরো টাকার মধ্যে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা চাকরির তদ্বির করতে খরচ হয়ে গিয়েছে। সেই টাকা বাদে বাকি টাকা ফেরত দেবেন। কিন্তু সেই টাকাও দিচ্ছেন না।” কলকাতা হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন চাকরির নিয়োগপত্র নিয়ে দুর্নীতির ঘটনায় বেশ খানিকটা অস্বস্তিতে তৃণমূলের নেতারা।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!