যতদিন নিজে না যাচ্ছি, আমাকে সরানো এত সহজ নয়! হুগলির জনসভায় হুঙ্কার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

খড়গপুর ২৪×৭: ‘আমি যতদিন নিজে না যাচ্ছি, আমাকে সরানো এত সহজ নয়’। হুগলির পুরশুড়ার জনসভা থেকে হুঙ্কার দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে তাঁর কটাক্ষ, ‘বাংলায় নাকি কোনও উন্নয়ন হয়নি। তাই বাংলায় নাকি পরিবর্তন দরকার। আমি বলি, পরিবর্তন স্লোগানটাই আমার’।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে আট দফায় চলছে ভোটগ্রহণ। আর ভোট যত এগোচ্ছে, প্রচারে সুর ততই চড়়ছে। বিজেপির হয়ে যখন আসরে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এমনকী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথরা, তখন পাল্টা প্রচারে ঝড় তুলেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই ভোট হয়ে গিয়েছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ, ভোটের প্রচারে এখন কার্যত গোটা রাজ্যে চষে বেড়াচ্ছেন তিনি।

এদিন হুগলির পুরশুড়ার জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপি ভারতের জঘন্য রাজনৈতিক দল। তাদের একটাই কাজ, রোজ রোজ মিথ্যা কথা বলা, দাঙ্গা লাগানো, কুৎসা ছড়ানো’। তৃণমূলনেত্রীর কথায়, ‘ভারতবর্ষে এরকম সরকার দেখিনি। আমিও সাতবার পার্লামেন্টের মেম্বার হয়েছি। অনেক প্রধানমন্ত্রী দেখেছি। অনেক সরকার দেখেছি। কিন্তু এরকম বাজে প্রধানমন্ত্রী, বাজে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাজে রাজনৈতিক দল কখনও দেখিনি। যারা ক্ষমতায় থেকে মানুষ খুন করে’।

২০১১ সালে পরিবর্তনে স্লোগান তুলে রাজ্য়ে ক্ষমতা এসেছিল তৃণমূল। একুশের ভোটে আবার পাল্টা ‘আসল পরিবর্তন’-র কথা বলছে বিজেপি। বিভিন্ন জনসভায় তৃণমূল জমানায় রাজ্যের উন্নয়ন না হওয়ার অভিযোগ তুলছেন দলের শীর্ষ নেতারাও। বাদ যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন সেই উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলেই তৃণমূল নেত্রীর পাল্টা কটাক্ষ, ‘বাংলায় নাকি কোনও উন্নয়ন হয়নি। তাই বাংলায় নাকি পরিবর্তন দরকার। আমি বলি, পরিবর্তন স্লোগানটাই আমার’। সঙ্গে হুঁশিয়ারি, ‘আমি যতদিন নিজে না যাচ্ছি, আমাকে সরানো এত সহজ নয়’। বিজেপিকে তাঁর স্পষ্ট বার্তা,  ‘তোমরা যদি মনে করো গুজরাত বাংলা শাসন করবে, সেটা হতে দেব না। বাংলা বাংলাকেই শাসন করবে।’

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ‘ভুল, কোনও প্রমাণ নেই’, বয়াল ৭ নম্বর বুথের ‘মিনিটস’ ধরে জবাব ECI-র
আরামবাগ, খানাকুলে বন্যা একটি বড় সমস্যা। প্রতিবছর বন্যার জলে প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ এলাকায়। মমতার দাবি, সিপিএম আমলে ওইসব এলাকার যা হাল হত, এখন সেই পরিস্থিতি হয় না।

বন্যা নিয়ন্ত্রণে সরকার অনেক কাজ করেছে। তাঁকে না জানিয়েই ঝাড়়খণ্ড থেকে জল ছাড়া হত বলেও অভিযোগ করেছেন তৃণমূলনেত্রী। আরামবাগ, খানাকুলে বন্যা একটি বড় সমস্যা। প্রতিবছর বন্যার জলে প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ এলাকায়। মমতার দাবি, সিপিএম আমলে ওইসব এলাকার যা হাল হত, এখন সেই পরিস্থিতি হয় না। বন্যা নিয়ন্ত্রণে সরকার অনেক কাজ করেছে। তাঁকে না জানিয়েই ঝাড়়খণ্ড থেকে জল ছাড়া হত বলেও অভিযোগ করেছেন তৃণমূলনেত্রী।