Saturday, August 13, 2022
Homeজেলাজলপাইগুড়িএকই ব্যক্তিকে পরপর তিনবার করোনার ভ্যাকসিন দিলেন মোবাইলে ব্যস্ত নার্স
Advertisement

একই ব্যক্তিকে পরপর তিনবার করোনার ভ্যাকসিন দিলেন মোবাইলে ব্যস্ত নার্স

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: করোনা সংক্রমণ রুখতে চলছে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ। রাজ্যজুড়ে করোনার টিকা নিয়ে হুলস্থূলকাণ্ডের খবর মাঝেমধ্যেই পাওয়া যায় সংবাদ মাধ্যমে।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

ভ্যাকসিনের জন্য কেউ কাকভোরে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। কেউ আবার অপেক্ষা করেন রাত থাকতেই। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও, ভ্যাকসিন না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে।

ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে ভিড়ে হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হওয়ার একাধিক ঘটনাও ঘটেছে। ক্ষোভ বিক্ষোভে বিভিন্ন জেলায় জাতীয় সড়ক অবরোধ পর্যন্ত হয়েছে। পুলিশের লাঠি চলেছে।

এবার এক ব্যক্তির শরীরে দেওয়া হল টিকার তিন ডোজ। প্রথম ডোজ নেওয়ার প্রায় একমাস পর দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কথা। কিন্তু, এক মিনিটের মধ্যে পর পর তিনটি করোনা টিকার ডোজ দেওয়ার অভিযোগ উঠল মালবাজারে। জানা গেছে বৃহস্পতিবার এক মিনিটের মধ্যে ভ্যাকসিনের তিনটি ডোজ দেওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হলেন পরিতোষ রায় (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। তাঁর বাড়ি ডুয়ার্সের নাগরাকাটা ব্লকের আংরাভাসা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার  নাগরাকাটা ব্লকের আংরাভাসা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চলছিল। পরিতোষ রায় অন্যান্যদের সাথে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভ্যাক্সিন নিতে যান। স্বাস্থ্য কর্মীরা উপস্থিত সেখানে মানুষদের টিকা দিচ্ছিলেন। পরিতোষ রায়ের সময় এলে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজে নিযুক্ত স্বাস্থ্য কর্মী ভুল করে এক মিনিটের মধ্যে তিন ডোজ ভ্যাকসিন দিয়ে ফেলেন বলে পরিতোষ রায়ের অভিযোগ। এরপর সে বাড়ি চলে আসেন। রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ে ওই ব্যাক্তি বলে অভিযোগ। শুক্রবার দ্রুত তাঁকে মাল সুপার স্পেশালিটিতে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

এনিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসারত অবস্থায়  পরিতোষ রায় বলেন, কথা বলতে বলতে দিদিমনি আমাকে এক মিনিটের মধ্যে তিন বার টিকা দিয়ে ফেলেন। এরপর আমি বাড়ি চলে আসি এবং রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার পা’য়ে ব্যথা শুরু হয়। কানে সমস্যা দেখা দেয়। তারপর আমাকে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে  এনে ভর্তি করেছে।

এনিয়ে মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডাঃ সুরজিৎ সেন বলেন, রোগী সুস্থ আছেন। তার প্রেসার, হার্ট বিট নর্মাল আছে। তবু আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। দুই তিন দিন পর্যবেক্ষণে রেখে সুস্থ হলে ছেড়ে দেব।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!