Saturday, October 16, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরসবংয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে আদি ও নব্যর দ্বন্দ্বের জের,মন্ডপ ভাঙচুরের অভিযোগ

সবংয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে আদি ও নব্যর দ্বন্দ্বের জের,মন্ডপ ভাঙচুরের অভিযোগ

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যেও আদি ও নব্যর দ্বন্দ্ব। আর এই দ্বন্দ্বের আবহে আদিদের পরিচালিত পুজো কমিটির তৈরি মন্ডপ ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং থানার দাঁদরা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের নাসরা গ্ৰামে। এই গ্ৰামে বেলতলা পল্লীপ্রাণ সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির মন্ডপ ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নব্যদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় এই মন্ডপ ভাঙ্গার প্রতিবাদ করতে গিয়ে এক বৃদ্ধাকে নিগৃহীত হতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

- Advertisement -

ঘটনার পর এই পুজো কমিটির সম্পাদক সহ অন্য কর্মকর্তারা থানায় পৌঁছান। একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। যদিও থানার ওসি জানিয়েছেন এরকম কোনও ঘটনার খবর জানা নেই।

আর কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে এই পুজো কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে ১৯৯৬ সাল থেকে বেলতলা পল্লীপ্রধান সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজোটি শুরু হয়।

সবকিছু ঠিকঠাক চলে ২০১৭ সাল পর্যন্ত। বিরোধ শুরু হয় ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকে। সেইসময় শাসকদলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের রেশ পুজো কমিটির মধ্যে প্রভাব ফেলে। সেই বছর থেকে এই পুজো কমিটির একাংশ সদস্য আলাদাভাবে পুজো করতে শুরু করে। সেই থেকে এই একই কমিটির নামে দুটি পুজো শুরু হয়।

এই বছরেও তার কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। এমনকি রাজ্য সরকারের পাঠানো ৫০ হাজার টাকার চেক এই পুজো কমিটির পুরনো সম্পাদকের নামে গত বছর পর্যন্ত এসেছিল। এই বছরে কি হবে সেই নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশায় রয়েছেন পুরনো কমিটির সম্পাদক থেকে শুরু করে অন্যান্য সদস্যরা। তবে অভিযোগ এই পুরনো কমিটির পুজো যাতে না হয় তারজন্য বেশ কয়েকদিন ধরে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় এইদিন মন্ডপ ভাঙ্গা হয়েছে বলে অভিযোগ। আর এই মন্ডপ ভাঙ্গার প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুরনো পুজো কমিটির সম্পাদকের ৬৫ বছরের বৃদ্ধা মা অঞ্জলি বিশ্বাসকে হামলার শিকার হতে হয়েছে।

অভিযোগ তাঁকে চুলের মুঠি ধরে হেনস্থা করা হয়েছে। এই ব্যাপারে এই পুজোর পুরনো কমিটির সম্পাদক সজীব বিশ্বাস জানিয়েছেন ঘটনার পর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আর গত বছর পর্যন্ত সম্পাদক হিসাবে আমার নামে রাজ্য সরকারের পাঠানো ৫০ হাজার টাকার চেক এসেছে। তাঁর দাবি আসল পুজো তাঁদেরই। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন পরিস্থিতি যাই হোক না কেন ছোটো করে হলেও পুজো করবেন। পুজো বন্ধ হবে না।

অন্যদিকে পুজো কমিটির সম্পাদক বিপ্লব নন্দী বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তর থেকে প্রশাসনের কাছে আমাদের পুজো করার পারমিশন রয়েছে। মন্ডপ ভাংচুরের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে। প্রথম থেকেই আমরা পুজো করে আসছি, আগামীতেও আমরা পূজার মধ্য দিয়ে দর্শকদের মনোরঞ্জন করব।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!