Thursday, December 2, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরEXCLUSIVE: খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করায়,ডেবরায় চার পরিবারকে সামাজিক বয়কটের অভিযোগ
Advertisement

EXCLUSIVE: খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করায়,ডেবরায় চার পরিবারকে সামাজিক বয়কটের অভিযোগ

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: খ্রিস্টান ধর্ম গ্ৰহণ করায় সামাজিক বয়কটের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডেবরা থানার ভবানীপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের কুমারসান্ডা গ্ৰামে। অভিযোগ খ্রিস্টান ধর্ম গ্ৰহণ করায় এই গ্ৰামের চারটি আদিবাসী পরিবারকে সামাজিক বয়কট করা হয়েছে।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে আদিবাসী সম্প্রদায়ের হো সমাজের মানুষেরা সহ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। তবে বিষয়টি নিয়ে রবিবার একটি আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গিয়েছে গত দুই বছরের মধ্যে এই গ্ৰামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের চারটি পরিবার খ্রিস্টান ধর্ম গ্ৰহণ করেছে। তারপর থেকে এই চারটি পরিবারকে গ্ৰামের পুকুর থেকে শুরু করে নলকূপ ব্যবহার সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

আর এই ঘটনা বর্তমানে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে অভিযোগ। এই ব্যাপারে বয়কটের শিকার সুকুমার সিং জানিয়েছেন বছর দুয়েক আগে তিনি খ্রিস্টান ধর্ম গ্ৰহণ করেছেন। তারপর থেকে আরও তিনটি পরিবার যীশুর ভক্ত হয়েছেন। যদিও এই ধর্ম পরিবর্তনের বিষয়ে কেউ কাউকে জোর করে নি। আর এইসব ক্ষেত্রে জোর করাও যায় না বলে তিনি জানালেন।

তাঁর অভিযোগ ওরা সমাজ থেকে লিখিত আকারে জানিয়েছেন ” আমাকে সমাজের কোনও কাজে যুক্ত করবেন না। কোনও কাজে আহ্বান করা হবে না। এমনকি শ্মশানঘাট সহ যাবতীয় কোনও কিছু ব্যবহার করা যাবে না।” তিনি জানিয়েছেন বর্তমানে চারটি পরিবার যীশুর হাত ধরেছেন। তপন সিং নামে আর এক গ্ৰামবাসী জানিয়েছেন খ্রিস্টান ধর্ম গ্ৰহণ করার পর কেউ খোঁজ নেয় নি।

একঘরে করে রাখা হয়েছে।” যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের সর্বভারতীয় হো সমাজের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সহ সম্পাদক তথা এই গ্ৰামের বাসিন্দা ভোলানাথ বান্ডরা। তিনি বলেছেন ” কোনও বয়কট কাউকে করা হয়নি। হো সমাজের বিভিন্ন পরবে ওঁরাই নিজেরা যোগ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন খ্রিস্টান ধর্ম গ্ৰহণ করার পর থেকে।”

অপরদিকে ভবানীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জগন্নাথ মুলা গোটা পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন ” উভয়পক্ষের তরফে অভিযোগ এসেছে। রবিবার সকালে উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি আলোচনা সভা ডাকা হয়েছে।” পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন কিছু সমস্যা তৈরি হলেও কোনও সামাজিক বয়কট করা হয়নি।

জানা গিয়েছে দিন কয়েক আগে খ্রিস্টান ধর্ম গ্ৰহণ করা তপন সিংয়ের বাবা মগরাজ সিংয়ের মৃত্যু হয়। এই ব্যাক্তির মৃতদেহ সৎকার করা নিয়ে সাময়িক জটিলতা তৈরি হয়। এই ব্যাক্তির ছেলেরা খ্রিস্টান ধর্ম গ্ৰহণ করায় মৃতদেহ সৎকারের দায়িত্ব পালন করে আদিবাসী সম্প্রদায়ের হো সমাজের মানুষেরা। কারন মগরাজ সিং ধর্ম পরিবর্তন করেননি।

এই ঘটনার পর থেকেই সমস্যা আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। এদিকে এই ব্যাপারে কিছু জানা নেই বলে জানালেন খড়গপুর মহকুমা শাসক আজমল হোসেন। তিনি বলেছেন বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেবেন।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!