Thursday, December 2, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরসবং-খড়গপুর স্কুল পরিচ্ছন্ন করার কাজে আর্থিক সঙ্কটে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
Advertisement

সবং-খড়গপুর স্কুল পরিচ্ছন্ন করার কাজে আর্থিক সঙ্কটে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: বিদ্যালয় স্যানিটাইজ করার মতো আর্থিক সঙ্গতি নেই। কিন্তু বিদ্যালয় চালু করার আগে সরকারি নির্দেশে স্যানিটাইজ করতেই হবে। আবার সরকার থেকে কোনও আর্থিক সহায়তা এখনও পর্যন্ত পৌঁছায়নি।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

তাই খড়গপুর শহরের ইন্দা কৃষ্ণলাল শিক্ষানিকেতনের কর্তৃপক্ষ ঠিক করেছেন মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হবেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পার্থ ঘোষ জানালেন ” গোটা বিদ্যালয় চত্বর ও শ্রেণী কক্ষগুলি স্যানিটাইজ করতে অনেক টাকা প্রয়োজন। সেই টাকা খরচ করার মত সঙ্গতি আমাদের নেই। তাই ঠিক করেছি বৃহস্পতিবার খড়গপুর মহকুমা শাসকের কাছে একটি চিঠি দেব। যাতে তিনি বিদ্যালয় স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করে দেন।”

আর বাকি কাজগুলি আপাতত বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে করতে হবে। বস্তুত বিদ্যালয় পুর্ণদ্যমে চালু করার আগে বিদ্যালয় স্যানিটাইজ করা থেকে শুরু করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বেশিরভাগ বিদ্যালয়ের নেই। প্রত্যেক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারি সাহায্যের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

কিন্তু সেই সাহায্য এখনও পর্যন্ত না পৌঁছানোয় প্রতিটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপাতত নিজেদের তহবিল থেকে খরচ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এই ব্যাপারে খড়গপুর শহরের অতুলমনি পলিটেকনিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মানস পতি জানালেন এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায় নি।

তাই আপাতত বিদ্যালয়ের উন্নয়ন তহবিলের টাকা থেকে খরচ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষকেরাও এগিয়ে এসেছেন। তিনি জানিয়েছেন ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই তাঁদের এই খরচ করতে হচ্ছে। আবার সবং সারদাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অদিতি রঞ্জন রাজ জানিয়েছেন ” নানাধরনের প্রশাসনিক কাজ করার জন্য বিদ্যালয়ের অফিস রুম খোলা হয়েছে।

কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় পঠনপাঠন বন্ধ থাকায় শ্রেণী কক্ষগুলি বন্ধই ছিল। ফলে বিদ্যালয় চত্বর থেকে শুরু করে শ্রেণী কক্ষগুলি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু হয়েছে। তারসাথে শ্রেণী কক্ষগুলির ভেঙ্গে যাওয়া জানলা ও দরজা মেরামত করতে হচ্ছে। এছাড়া নতুন কয়েকটি চেয়ার টেবিল তৈরি করতে দেওয়া হয়েছে।

এই বিপুল পরিমাণ খরচের পুরোটাই আপাতত বিদ্যালয়ের উন্নয়ন তহবিল থেকে করা হচ্ছে। সরকারি অর্থ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায় নি।” পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের উন্নয়ন তহবিল থেকে পঠনপাঠন চালুর তিন থেকে চার দিন আগে গোটা বিদ্যালয়ে স্যানিটাইজ করার খরচ করা হবে। একই বক্তব্য সবং থানার চাঁদকুড়ি ইউনিয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রতাপ মাইতির।

তিনি জানিয়েছেন সরকারের আর্থিক সহায়তা এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। তাই বিদ্যালয়ের উন্নয়ন তহবিল থেকে যতটা সম্ভব খরচ করে বিদ্যালয় স্যানিটাইজ করা থেকে শুরু করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজ করা হবে। খড়গপুর হিজলি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিশংকর চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন সরকারের কোনও আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায়নি।

তাই আপাতত বিদ্যালয়ের উন্নয়ন তহবিল থেকে খরচা করে বিদ্যালয় চত্বরে গজিয়ে ওঠা ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হচ্ছে। আর প্রয়োজনে শিক্ষকেরা নিজেদের গাঁটের পয়সা খরচ করে স্যানিটাইজ করবেন। তাঁর বক্তব্য ” কিছু করার নেই। বিদ্যালয় চালু করতেই হবে। তাই সরকারি সহায়তা পাওয়া না গেলেও পড়ুয়াদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে এই কাজ নিজেদের অর্থেই করতে হবে।”

এই ব্যাপারে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (উচ্চ মাধ্যমিক) চপেশ্বর সর্দার জানিয়েছেন প্রতিটি স্কুলে টাকা পাঠানো হবে। তার কাজ শুরু হয়েছে।”

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!