Thursday, December 2, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরদীপাবলিতে মাটির প্রদীপের অস্তিত্ব সংকটে,চায়না লাইটের দাপটে চরম সমস্যায় চন্দ্রকোনার কুমোরপাড়ার কারিগররা
Advertisement

দীপাবলিতে মাটির প্রদীপের অস্তিত্ব সংকটে,চায়না লাইটের দাপটে চরম সমস্যায় চন্দ্রকোনার কুমোরপাড়ার কারিগররা

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: কালী পুজোর আর কয়েকটা দিন,এসময় নাওয়াখাওয়ার ফুরসত ছিলনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনার কুমোরপাড়ার কারিগরদের। একটা সময় ছিল যখন কালী পুজোর আগে মাটির প্রদীপ তৈরির কাজে চরমব্যস্ততা ছিল কুমোরপাড়ার প্রতিটি বাড়িতেই।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

কিন্তু এখন সেসব অতীত,হাতেগোনা কয়েকটি পরিবার এখন মাটির প্রদীপ তৈরির কাজে যুক্ত। কালী পুজোর আগে তারাই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কিছু রোজগারের আশায়।আগেই এপেশা বন্ধ করে অনেকেই চাষবাস বা অন্য পেশায় যুক্ত হয়ে সংসার চালাচ্ছে। তেমনই একটি কুমোরপাড়ার করুণ ছবি উঠে এলো চন্দ্রকোনা ২ ব্লকের বসনছোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বাচকা গ্রামে।

এই গ্রামে ৬০-৭০ টির মতো পরিবারের বসবাস।বরাবরই মাটির তৈরি নানান জিনিস তৈরি করে সংসার চালাতো বাচকা গ্রামের অধিকাংশ পরিবার। বিগত কয়েকবছর ধরে ধুঁকছে এই গ্রামের মাটির কাজের সাথে যুক্ত কারিগরেরা। ধীরে ধীরে বাজার ছেয়ে গিয়েছে টুনি লাইট,রঙবেরঙের এলইডি আলো সহ ছাঁচের ডিজাইনার মোমবাতি সাথে রয়েছে আতসবাজির দাপট। ফলে ধীরে ধীরে বাজারে চাহিদা কমতে শুরু করে মাটির প্রদীপের,এই মাটির প্রদীপই একটা সময় কালী পুজোর আগে গ্রামবাংলার ঘর আলো করে রাখতো।

ডিজিটালের যুগে সেসব বন্ধের মুখে,ফলে রুজিরোজগারে টান পড়েছে এইসকল কারিগরদের।তারউপর গত দেড় দু’বছর করোনা পরিস্থিতিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে দাবি চন্দ্রকোনার বাচকা গ্রামের কুমোরপাড়ার কারিগরদের।

তাই কালী পুজোর আগে এই গ্রামের কয়েকটি পরিবার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে মাটির প্রদীপ তৈরিতে,পুজোর আগে বাজারে নিয়ে গিয়ে তা বেচে যেটুকু অর্থ আসে তাতেই সন্তুষ্ট হওয়ার আশায়। বলাই চলে কালী পুজোর আগে প্রায় নিভতে বসেছে চন্দ্রকোনার কুমোরপাড়ার কারিগরদের মাটির প্রদীপ।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!