Saturday, January 29, 2022
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরস্কুলেই বসল বিয়ের আসর,বিতর্কে খড়গপুর আজিজিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ
Advertisement

স্কুলেই বসল বিয়ের আসর,বিতর্কে খড়গপুর আজিজিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল:  ফের বিতর্কে খড়গপুর পুরসভার কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের খড়গপুর আজিজিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্। এবারে বিতর্ক শুরু হয়েছে বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে একটি বিয়ে বাড়ির রান্না করা নিয়ে। যদিও বিষয়টি ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

কিন্তু এলাকার মানুষজনের স্বার্থে বিষয়টি মেনে নিতে হয়েছে বলে তাঁর দাবি। বৃহস্পতিবার রাতে খড়গপুর শহরের ভবানীপুর এলাকার একটি পরিবারের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান এই স্কুলে হয়েছে। ভাড়ার বিনিময়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাঠ ও চত্বর ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আর এই অনুমতি নাকি দুই মাস আগে থেকে দেওয়া ছিল। তখন বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। বিদ্যালয় কবে খুলবে তারও কোনও ঠিক ছিল না। কিন্তু গত মঙ্গলবার থেকে রাজ্য সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী রাজ্যের সমস্ত বিদ্যালয়ের সাথে এই বিদ্যালয়েও পঠনপাঠন শুরু হয়। আর বৃহস্পতিবারেও যথারীতি নিয়ম মেনে বিদ্যালয়ে পঠনপাঠন হয়েছে।

কিন্তু এই পঠনপাঠন চলার সময় বিয়ে বাড়ির রান্না শুরু হয়। গ্যাস জ্বেলে রান্না হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে এইভাবে বিয়ে বাড়ির আয়োজন করা যায় কিনা সেই নিয়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বললেন ” পড়াশুনা কি করবে।

পড়ুয়ারা তো রান্নার খুশবুতে মাতোয়ারা হয়ে ছিল। বারবার নজর ঐদিকে যাচ্ছিল।” রীতিমতো হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন ” কি যে হচ্ছে বোঝা মুশকিল।” যদিও এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আলম বলেছেন ” এটা হওয়া উচিত নয় ঠিকই। তবে এই পরিবারটি দুই মাস আগে থেকে আবেদন করে রেখেছিল। তখন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অনুমতিও দেওয়া হয়েছিল।

আর এই এলাকার অনেক পরিবারের মেয়ে কিংবা ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠান এই বিদ্যালয় চত্বরে হয়ে আসছে দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে।” তবে আগামী দিনে যাতে এইধরনের ঘটনা না ঘটে সেদিকে নজর দেওয়া হবে বলে তিনি জানালেন। আর বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির সভাপতি সুজয় কর্মকার জানিয়েছেন এলাকার একটি পরিবারের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে। আর সেটি হয়েছে বিদ্যালয় ছুটির পর সন্ধ্যাবেলায়।

এই পরিবার দুই মাস আগে থেকে অনুমতি নিয়ে বিয়ের কার্ডে এই বিদ্যালয় প্রাঙ্গনের নাম ছাপিয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেছেন বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিয়ের ভোজনের রান্না হয়েছে।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!