Saturday, October 16, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরনিজেকে অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার একজন ভূমিপুত্র হিসাবে উল্লেখ করলেন রাজ্যের পরিবহন,সেচ ও...

নিজেকে অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার একজন ভূমিপুত্র হিসাবে উল্লেখ করলেন রাজ্যের পরিবহন,সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭(পশ্চিম মেদিনীপুর):-নিজেকে অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার একজন ভূমিপুত্র হিসাবে উল্লেখ করলেন রাজ্যের পরিবহন,সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি খড়গপুরের সাথে তাঁর যে একটি আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে সেটাও তিনি উল্লেখ করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খড়গপুর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালবাগিচা এলাকায় একটি ক্লাবের নবনির্মিত কমিউনিটি হলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন ” আমাদের মত অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার একজন সাধারণ ভূমিপুত্রকে দিয়ে তাঁরা উদ্বোধন করাচ্ছেন এটা আমার কাছে একটা পরম প্রাপ্তি।” তিনি বলেন ” তালবাগিচা খড়গপুরের একটা পুরনো এলাকা। এই এলাকার মানুষজনের সাথে আজকে নয়। অনেকদিনের পরিচিতি। সামগ্ৰিকভাবে খড়গপুরের সঙ্গে একটা আত্মিক সম্পর্ক আমার অনেকদিন ধরে আছে। আমি ছাত্রাবস্থা থেকে খড়গপুরে অনেকবার এসেছি বিভিন্ন সময়ে। হয়ত আমরা প্রশাসনিকভাবে এখন ত্রিখন্ডিত। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্ৰাম। কিন্তু আমরা মনেপ্রাণে অবিভক্ত মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র হিসাবে নিজেদেরকে পরিচয় দিই।” তারপরেই তিনি খড়গপুর শহরের সাথে তাঁর একাত্মতা বোঝানোর জন্য বলেন ” আমি ২০০২ সাল থেকে খড়গপুরের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। সেইসময় থেকে অদ্যাবধি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে, ব্যাক্তিগতভাবে কারোর পারিবারিক অনুষ্ঠানে, বিদ্যালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে নানাভাবে প্রতিনিয়ত খড়গপুরের এপ্রান্ত ওপ্রান্ত বিভিন্ন জায়গায় যাই। বিভিন্ন লোকের সাথে যোগাযোগ আছে।” এই শহর থেকে প্রত্যেকদিন হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেজ সারাদিন ২০ থেকে ২৫টি পান বলে জানালেন। এখানকার মানুষের সঙ্গে একটি আত্মিক, মানসিক ও কাজের সম্পর্ক অনেকদিন ধরে হয়ে উঠেছে বলে তিনি জানালেন। পাশাপাশি তিনি করোনার জেরে লকডাউনের সময় বিভিন্ন ক্লাব প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার ভূয়ষী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন ” করোনার সময় শুধুমাত্র প্রশাসন বা পুর প্রশাসন বলুন, পুলিশ প্রশাসন বলুন, সিভিল প্রশাসন বলুন এঁরা একা পারেন নি। এইধরনের ক্লাব প্রতিষ্ঠানের যুবকেরা পাড়ায় পাড়ায় এলাকায় এলাকায় বেরিয়ে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করেছেন। করোনা রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছেন। আইসোলেশনে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ৫০ দিনের লকডাউনের সময় দিন আনতে দিন খাই মানুষের কাছে সরকারের পাশাপাশি এইধরনের ক্লাব প্রতিষ্ঠানগুলি পৌঁছেছে। বিভিন্নভাবে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন।” এইদিনের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকলেও দেখা যায় নি খড়গপুর পুরসভার প্রশাসক তথা বিধায়ক প্রদীপ সরকারকে। তিনি জানালেন অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন খড়গপুর মহকুমা শাসক বৈভব চৌধুরী, প্রাক্তন পুরপ্রধান জহরলাল পাল। আর দর্শকাসনে ছিলেন জেলা পরিষদের কৃষি,সেচ ও সমবায় কর্মাধ্যক্ষ রমাপ্রসাদ গিরি,খড়গপুর পুরসভার বিদায়ী উপ পুরপ্রধান সেখ হানিফ,৩০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলর তথা কোঅর্ডিনেটর রীতা সেনগুপ্ত,৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএমের বিদায়ী কাউন্সিলর তথা কোঅর্ডিনেটর স্মতিকনা দেবনাথ প্রমুখ।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!