Saturday, October 16, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরচন্দ্রকোনার ক্ষীরপাইয়ের বড়কালী মাতার পুজোর ইতিহাস জানেন কি?

চন্দ্রকোনার ক্ষীরপাইয়ের বড়কালী মাতার পুজোর ইতিহাস জানেন কি?

- Advertisement -

অভিক ঘোষ,(চন্দ্রকোনা, পশ্চিম মেদিনীপুর):-সামনেই কালীপুজো৷ ইতিমধ্যে আয়োজন শুরু বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেলে ৷ চন্দ্রকোনা টাউনের কাশীগঞ্জের বড়কালী পুজোর দিকে নজর বহু মানুষেরই৷ এখানকার মাতৃমুর্তি থেকে পুজোর পদ্ধতি, সবকিছুই অন্য ধরনের। ৪২ ফুট উঁচু কংক্রিটের স্থায়ী মাতৃমুর্তি ভক্তদের কাছে সদা জাগ্রত বলে জানা গেছে৷
পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা টাউনের ক্ষীরপাই এলাকার কাশীগঞ্জ গ্রামের বড়কালী মাতার পুজো৷ আনুমানিক প্রায় দশ বছর আগের। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে এলাকার বাসিন্দা সমস্যায় পড়ে কালীমাতার স্মরণাপন্ন হয়েছিলেন৷ কাশীগঞ্জের শ্মশানেই তাঁর নিজের জমি ছিল৷ সেই জমিতে বসে কালীসাধনা করে সমস্যা থেকে সমাধান পেয়েছিলেন সেই বাসিন্দা৷ তারপর সেখানেই ৪২ ফুট উঁচু কালীমাতার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন ৷ কালীমায়ের পুজো শুরু হয় তখন থেকেই। এক পূজারীর পরামর্শে মৌলিক কিছু নিয়ম চালু হয়৷ নিয়মাবলী এই পুজোয় কোনও প্রণামী দেওয়া চলবে না৷ পুজোর ভোগ বা প্রসাদ করে কারোকে খাওয়াতে চাইলে ভক্ত তা করতে পারেন৷ কিন্তু কোনও অর্থ সেখানে দেওয়া চলবে না। কোনও পুরোহিতকেও নিয়ে পুজো করা চলবে না৷ ভক্তরায় নিজে করতে পারবে পুজো৷ বড়কালী মাতার মূর্তির পাশে স্থাপিত হয়েছে একটি ছোট মাটির কালীমুর্তি৷ সেটিও পূজিত হয় ঘটা করে৷ এই পূজা সম্পর্কে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এখানে একমাত্র প্রতি বছরে কালীপুজোর সময়ে পুরোহিতকে লাগে৷ তা না হলে ভক্তরা নিজেরাই পুরোহিত সেজে পুজোর আয়োজন করেন৷ পুজোতে বড়জোর ভোগ দেওয়া যেতে পারে৷ কোনও প্রণামী বা বলি হয় না৷ মা কখনও কোনও ভক্তকে খালি হাতে ফেরান না৷জাগ্রত এই বড়কালী মায়ের মন্দির চত্বর প্রতিদিন বিকেলেই প্রায় মেলার রূপ নেয়। কিন্তু করণা পরিস্থিতিতে দুর্গাপুজো কালীপুজোতেও মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবে না মানুষজন ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তাই মন খারাপ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!