Sunday, September 19, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরনিজেকে মনোনিত নয়। একজন নির্বাচিত সমবায়ী হিসাবে উল্লেখ করলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী...

নিজেকে মনোনিত নয়। একজন নির্বাচিত সমবায়ী হিসাবে উল্লেখ করলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭(বেলদা,প:মেদিনীপুর): নিজেকে মনোনিত নয়। একজন নির্বাচিত সমবায়ী হিসাবে উল্লেখ করলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি তাঁর পোশাক ও গায়ের রঙ দেখে নয়। কাজের নিরিখে বিচার করার অনুরোধ করলেন। বুধবার বেলদার গঙ্গাধর অ্যাকাডেমি মাঠে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমবায় সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে একটি কর্মসূচীতে আসেন। সেখানে তিনি বিদ্যাসাগর কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের ক্রমশ এগিয়ে যাওয়া ও আর্থিক উন্নতির একটি তথ্য তুলে ধরেন। তবে তার আগে তিনি বেলদায় এই সভা করার কারন ব্যখ্যা করেন। তিনি বলেন ” করোনার জন্য এখনও প্যানডেমিক খতম হয় নি। এখনও ভ্যাকসিন আসে নি। তারমধ্যে অনেকদিন ধরে সমবায়ীরা বিচ্ছিন্ন ছিলেন। যথাসময়ে আমরা সাধারণ সভা করতে পারি নি। বড় করে বসে আলোচনা করতে পারি নি। তাই আমরা পরিচালক মন্ডলী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম এবারের সমবায় সপ্তাহের আলোচনা জেলা পরিষদের সভাগৃহ বদ্ধ ঘরে না করে ঝাড়গ্ৰাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মধ্যবর্তী একটি খোলা জায়গায় বা মাঠে করব।” তারপরেই তিনি নানা বাধাবিপত্তি বিশেষ করে এই আর্থিক বছরের শুর থেকে করোনার জন্য লকডাউনের মধ্যে কিভাবে এই সমবায় ব্যাংকের আমানত থেকে লাভ বৃদ্ধি হয়েছে তার বিবরণ তুলে ধরেন। গত তিনটি আর্থিক বছরে বিদ্যাসাগর কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের আমানত বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরতে গিয়ে বলেন ” ২০১৯ সালের ৩১ মার্চে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯২১.৭০ কোটি টাকা। ২০২০ সালের ৩১ মার্চে এটা বেড়ে হয় ২১০৩.৩২ কোটি টাকা। আর এই আর্থিক বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষে এখনও আর্থিক বছর শেষ হয় নি। তারইমধ্যে ২২৩২.১৮ কোটি টাকা আমানত হয়েছে। এখনও হাতে ছয় মাস রয়েছে।” ব্যাঙ্কের লাভের হিসাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন ” ২০১৮ সালের মার্চের শেষে লাভ হয়েছিল ৯.১২ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের মার্চের শেষে লাভ বেড়ে হয় ১৪.০৯ কোটি টাকা। ২০২০ সালের মার্চের শেষে লাভ আরও বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৪.৫৮ কোটি টাকা। আর এই আর্থিক বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষে লাভের পরিমাণ ইতিমধ্যেই দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি টাকা।” এই ব্যাপারে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন এই আর্থিক বছরে ব্যাঙ্কের লাভের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি দাদন দেওয়ার পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। তারপরেই তিনি বলেন ”

শুভেন্দুর সাদা পাজামা পাঞ্জাবী ও গায়ের রঙটা একটু পরিষ্কার সেটা দেখে বিচার করার দরকার নেই। বিদ্যাসাগর ব্যাঙ্ক কেমন চলছে এটা তার রেখাচিত্র।” পাশাপাশি তিনি সাধারণ সভায় অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ” স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। স্বজনপ্রীতি থেকে দূরে থাকতে হবে। ঋণ দেওয়া ও আদায় করার ক্ষেত্রে ব্যাক্তি প্রীতি ও দল প্রীতি করা চলবে না।” পাশাপাশি নিষ্ক্রিয় সমবায় সমিতিগুলিকে সক্রিয় করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন ” ১২০০ সমিতির মধ্যে ১০০টি সমিতি নিষ্ক্রিয় রয়েছে। এঁদের সক্রিয় করতে হবে। তা না হলে টা টা বাই বাই করে দিতে হবে।” তারপরেই তিনি নিজেকে নির্বাচিত সমবায়ী হিসাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন ” আমি আমার সমবায় আন্দোলনে কোনোদিন নমিনেটেড লোক নই। আমি ইলেক্টেড সমবায়ী। অংশীদার বন্ধুরা আমাকে প্রথম যেবারভোট দিয়ে জিতিয়েছিলেন তখন আমার বয়স খুব কম ছিল। সালটা ছিল ১৯৯৬।”

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!