Sunday, September 26, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরবেহাল রাস্তায় ভোগান্তির যাত্রা খড়গপুরে।

বেহাল রাস্তায় ভোগান্তির যাত্রা খড়গপুরে।

- Advertisement -

 

নিজস্ব সংবাদদাতা, খড়গপুর: চার বছর হয়েছে রাস্তাটি তৈরি হয়েছে। কিন্তু এরইমধ্যে রাস্তাটির প্রায় বেহাল দশা হয়েছে। বিশেষ করে ধারের দিকে রাস্তাটি একেবারে ভেঙ্গে গিয়ে একটি বিপজ্জনক অবস্থা হয়েছে। আর রাস্তাটির এই বেহাল দশার জন্য এলাকার বাসিন্দারা এক ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়িকে দায়ি করেছেন। তাঁদের অভিযোগ এই ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ির ইট, বালি, সিমেন্ট ও চিপস বোঝাই বড় ও ভারী গাড়ি যাতায়াতের জন্য রাস্তাটির এই বেহাল দশা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে রবিবার খড়গপুর পুরসভার প্রশাসক তথা বিধায়ক প্রদীপ সরকারের কাছে এলাকার বাসিন্দারা একটি অভিযোগ পত্র লিখিত আকারে জমা দিয়েছেন। এই ব্যাপারে খড়গপুর পুরসভার ছয় নম্বর ওয়ার্ডের ভবানীপুর মাঠপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুলেখা দাস, মনি মিস্ত্রি জানিয়েছেন ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ীকে বহুবার বলা হয়েছে। অনুরোধ করা হয়েছে বড় ও ভাড়ি গাড়ি রাস্তাটি দিয়ে না ঢোকাতে। কিন্তু তিনি কোনও অনুরোধে সাড়া দেন নি বলে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তাঁরা জানালেন রবিবার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করার জন্য পুরসভার প্রশাসক তথা বিধায়ককে একটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে। এমনকি এই বড় ও ভারী গাড়ি ঢোকার জন্য ছয় নম্বর ওয়ার্ডের ভবানীপুর মাঠপাড়া লাগোয়া খড়গপুর এক নম্বর ব্লকের বড়কোলা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বরগাই মৌজায় পথশ্রী অভিযান প্রকল্পে সদ্য নির্মিত ঢালাই রাস্তাটির দশা বেহাল হয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এই এলাকার বাসিন্দা সুভাষ মন্ডল জানিয়েছেন প্রতিদিন এক ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ির বড় ও ভারী গাড়ি যাতায়াতের জন্য পুরসভার পুরোনো রাস্তাটি তো বেহাল দশা হয়েছে। এবারে পথশ্রী অভিযান প্রকল্পে সদ্য নির্মিত ঢালাই রাস্তাটির দশাও এইরকম হবে। এলাকার প্রত্যেকের দাবি এই রাস্তা দিয়ে বড় ও ভারী গাড়ি চলাচল অবিলম্বে বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। প্রসঙ্গত খড়গপুর পুরসভার ছয় নম্বর ওয়ার্ডের ভবানীপুর মাঠপাড়া এলাকার লাগোয়া বরগাই মৌজায় পথশ্রী অভিযান প্রকল্পে রাস্তাটি মাত্র দুই মাস আগে তৈরি হয়েছে। এই পুরো রাস্তাটি দিয়ে ভবানীপুর তো বটেই। সুভাষপল্লী, খরিদা, গোলবাজার, শ্রীকৃষ্ণপুর এলাকার বহু মানুষ ছয় নম্বর জাতীয় সড়কে যাওয়ার জন্য এই রাস্তাটি ব্যবহার করেন। এমনকি এই রাস্তা দিয়ে বহু রোগীকেও মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ব্যাপারে পুরসভার প্রশাসক তথা বিধায়ক প্রদীপ সরকার বলেছেন ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসায়ীকে ডেকে পাঠিয়ে সতর্ক করে বলে দেওয়া হবে বড় ও ভারী গাড়ি না ঢোকাতে। তারপরেও যদি কাজ না হয় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরদিকে ইমারতি দ্রব্য ব্যবসায়ী অজিত পাল কার্যত স্বীকার করে বলেছেন বড় ও ভারী গাড়ি ঢোকাতে হয়। তবে রাতের দিকে দুই থেকে তিনটি বড় ও ভারী গাড়ি ঢোকানো হয়। এছাড়া সারাদিনে ছোটো গাড়ি ঢোকানো হয়। তবে তিনি জানিয়েছেন এলাকাবাসী চাইলে তিনি রাস্তা মেরামত করে দিতে প্রস্তুত। কিন্তু গাড়ি ঢোকানো একেবারে বন্ধ করে দেওয়া তাঁর পক্ষে সমস্যা ও অসুবিধা বলে জানালেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!