Thursday, December 2, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরখড়গপুরে যুবক খুনে কোন রাজনীতি নেই,জানাল পুলিশ।
Advertisement

খড়গপুরে যুবক খুনে কোন রাজনীতি নেই,জানাল পুলিশ।

Advertisement

Advertisement

 

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

নিজস্ব সংবাদদাতা,খড়গপুর: খড়গপুরে যুবক খুনের ঘটনায় রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এই বিষয়ে পুলিশ একপ্রকার নিশ্চিত। বরং ঘটনায় মহিলা যোগের বিষয় উঠে আসছে পুলিশী তদন্তে। যদিও খড়গপুর পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সুভাষপল্লী গুরুদ্বোয়ারা এলাকার বাসিন্দা যুবক অর্জুন সোনকার খুনের ঘটনায় রবিবার পর্যন্ত কেউ গ্ৰেফতার হয় নি। তবে চারজন মহিলাকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। তারমধ্যে একই পরিবারের মা ও মেয়ে সহ এক বিজেপির মহিলা কর্মী রয়েছেন। এছাড়া খড়গপুর শহরের খরিদা বড়বাতি এলাকা লাগোয়া রেলের একটি বস্তি এলাকার পলাতক এক যুবকের মা রয়েছেন। ঘটনার পর শুক্রবার রাত থেকেই পলাতক শুভম নামে পেশায় ঠেলা চালক এই যুবক। জানা গিয়েছে আড়াই মাস আগে একটি ঝামেলা হয়েছিল অর্জুন সোনকার ওরফে ভলুর সাথে শুভমের। খড়গপুর টাউন থানার পুলিশ এখন এই শুভমের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ নিশ্চিত এই পলাতক যুবককে ধরতে পারলে এই খুনের কিনারায় অনেকটাই এগনো যাবে। তবে ২৯ বছরের যুবক অর্জুন সোনকার ওরফে ভলু যে কোনও মহিলা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে খুন হয়েছে সেই বিষয়ে পুলিশ একপ্রকার নিশ্চিত হয়েছে। এখন গোটা ঘটনার পেছনে কোন মহিলার যোগ রয়েছে সেটাই পুলিশ খতিয়ে দেখছে। জানা গিয়েছে অর্জুনের সাথে একাধিক মহিলার অবৈধ সম্পর্ক ছিল। তারমধ্যে আটক মা ও মেয়ে অন্যতম। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে খুন হওয়ার আগে অর্জুন খড়গপুর শহরের মালঞ্চ রোডের ধারে একটি বিদ্যালয়ের উল্টোদিকে এই মা ও মেয়ের বাড়িতে ঘন্টা দুয়েক ছিল। বিকাল সাড়ে তিনটা নাগাদ মেয়ের ফোন পেয়ে অর্জুন ওই বাড়িতে হাজির হয়েছিল। তারপর এই বাড়ির পেছনের একটি রাস্তা দিয়ে মথুরাকাটি এলাকার বেবি রানি ময়দানের পেছনে হাজির হয় নিজের স্কুটি চালিয়ে। এই জায়গাতেই খুন হয় অর্জুন। বুকের দুই পাশে গুলি চালিয়ে তাকে খুন করা হয়। এই ব্যাপারে পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন অর্জুন সোনকার ওরফে ভলু খুনের ঘটনায় মহিলা যোগের তথ্য উঠে এসেছে। যদিও এখনও কেউ ধরা পড়ে নি। তবে এই খুনের কিনারা শীঘ্রই হয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। এদিকে শনিবার খড়গপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র গোলবাজার ও খরিদা বাজারে একদল যুবক রীতিমতো তান্ডব চালায় অর্জুনের মৃতদেহ নিয়ে শেষযাত্রার সময়। ভয়ে দুটি বাজারে সমস্ত দোকানদার নিজেদের দোকানপাট বন্ধ করে দেন। তবে রবিবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। গোলবাজার এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে আশ্বস্ত হয়ে এইদিন দুটি বাজারে দোকানপাট সব খোলা ছিল।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!