Sunday, December 5, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরনদী বাঁচানোর বার্তা নিয়ে বাইকর‍্যালি সবং-পটাশপুরে!
Advertisement

নদী বাঁচানোর বার্তা নিয়ে বাইকর‍্যালি সবং-পটাশপুরে!

Advertisement

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা,পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর:-নদী বাঁচাও, সভ্যতা বাঁচাও― এই বার্তা নিয়ে প্রচার অভিযান করল সবংয়ের একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠন। ‘পরিবেশ রক্ষা সমন্বয় মঞ্চ’ নামক এই সংগঠনটির উদ্যোগে এদিন কেলেঘাই-কপালেশ্বরী ও বাগুই নদীর পাড় বরাবর একটি জনসচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র্যালিটির সূচনা হয় এদিন দেহাটীর কেলেঘাই সেতুতে। অভিযোগ দিনদিন বেড়ে চলেছে ভেড়ি কারবারিদের রমরমা।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

নদীসংলগ্ন এলাকা গুলোতে যত্রতত্র গজিয়ে উঠছে ভেড়ি। ভেড়ির বর্জ্য ও রাসায়নিক মেশানো জলে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকাগুলোর চাষবাস, তেমনই মাত্রা ছাড়াচ্ছে নদীজলের দূষণ। বিপন্ন হচ্ছে নদীকেন্দ্রিক বাস্তুতন্ত্র। প্রভাব পড়ছে এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্যেও। অথচ বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কার্যত উদাসীন।সংস্থাটির পক্ষে শান্তনু অধিকারী বলেন, ‘শুধু ভেড়ি নয়। কেলেঘাইয়ের পাড় ধরে গড়ে উঠেছে একাধিক কাপড়ের কারখানা। সেই সকল কারখানার রাসায়নিক বর্জ্যও নির্বিচারে মিশছে নদীর জলে। তাছাড়া যত্রতত্র নদীতে মশারির জাল পেতে মাছ ধরার কারণেও বিঘ্নিত হচ্ছে দেশী মাছের প্রজনন। হারিয়ে যাচ্ছে একের পর এক প্রজাতি। সংকটে পড়েছে এলাকার কৃষি ও মৎস্যজীবীদের পেশাও।’পরিবেশ রক্ষা সমন্বয় মঞ্চ’-এর আহ্বানে এদিন সামিল হয়েছিল ‘দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরাম’, ‘মেদিনীপুর ছাত্রসমাজ’, ‘ওয়াইল্ডলাইফ ওয়ারিয়র্স’ নামের একাধিক পরিবেশপ্রেমী সংগঠন। সেই সকল সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করে ঝর্ণা আচার্য্য, সোমনাথ দাস অধিকারী, দেবরাজ চক্রবর্তী, কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্তী প্রমুখরা এদিন দাবি তোলেন, মুনাফালোভী ভেড়িমালিকদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিক প্রশাসন। তাঁরা বলেন, নদী ও নদীসংযুক্ত খালগুলোকে ঘিরেই গজিয়ে উঠছে ভেড়ি। ফলে নদী হারিয়ে ফেলেছে তাদের স্বাভাবিক গতি। নদীগুলোর নিয়মিত ড্রেজিংয়েরও দাবি তোলেন তাঁরা। এইসকল দাবির সপক্ষে বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা সাধারণ মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহও করেন।


এদিন র‍্যালির পাশাপাশি পটাশপুরের নৈপুর, গোকুলপুর, তালাডিহা, সবংয়ের দশগ্রাম, খড়িকা, সুন্দরপুর প্রভৃতি জায়গায় পথসভারও আয়োজন করা হয়। বিলি করা হয় সচেতনতামূলক প্রচারপত্র। এদিন দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরাম-এর পক্ষে ঝর্ণা আচার্য্য জানালেন, অবিলম্বে এলাকার কৃষিজীবী ও মৎস্যজীবীদের নিয়ে প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে ডেপুটেশনে দেওয়া হবে। বাঁচানোর বার্তা নিয়ে বাইকর‍্যালি সবং-পটাশপুরে !
নদী বাঁচাও, সভ্যতা বাঁচাও― এই বার্তা নিয়ে প্রচার অভিযান করল সবংয়ের একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠন। ‘পরিবেশ রক্ষা সমন্বয় মঞ্চ’ নামক এই সংগঠনটির উদ্যোগে এদিন কেলেঘাই-কপালেশ্বরী ও বাগুই নদীর পাড় বরাবর একটি জনসচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র্যালিটির সূচনা হয় এদিন দেহাটীর কেলেঘাই সেতুতে। অভিযোগ দিনদিন বেড়ে চলেছে ভেড়ি কারবারিদের রমরমা। নদীসংলগ্ন এলাকাগুলোতে যত্রতত্র গজিয়ে উঠছে ভেড়ি। ভেড়ির বর্জ্য ও রাসায়নিক মেশানো জলে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকাগুলোর চাষবাস, তেমনই মাত্রা ছাড়াচ্ছে নদীজলের দূষণ। বিপন্ন হচ্ছে নদীকেন্দ্রিক বাস্তুতন্ত্র। প্রভাব পড়ছে এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্যেও। অথচ বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কার্যত উদাসীন।সংস্থাটির পক্ষে শান্তনু অধিকারী বলেন, ‘শুধু ভেড়ি নয়। কেলেঘাইয়ের পাড় ধরে গড়ে উঠেছে একাধিক কাপড়ের কারখানা। সেই সকল কারখানার রাসায়নিক বর্জ্যও নির্বিচারে মিশছে নদীর জলে। তাছাড়া যত্রতত্র নদীতে মশারির জাল পেতে মাছ ধরার কারণেও বিঘ্নিত হচ্ছে দেশী মাছের প্রজনন। হারিয়ে যাচ্ছে একের পর এক প্রজাতি। সংকটে পড়েছে এলাকার কৃষি ও মৎস্যজীবীদের পেশাও।’পরিবেশ রক্ষা সমন্বয় মঞ্চ’-এর আহ্বানে এদিন সামিল হয়েছিল ‘দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরাম’, ‘মেদিনীপুর ছাত্রসমাজ’, ‘ওয়াইল্ডলাইফ ওয়ারিয়র্স’ নামের একাধিক পরিবেশপ্রেমী সংগঠন। সেই সকল সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করে ঝর্ণা আচার্য্য, সোমনাথ দাস অধিকারী, দেবরাজ চক্রবর্তী, কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্তী প্রমুখরা এদিন দাবি তোলেন, মুনাফালোভী ভেড়িমালিকদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিক প্রশাসন। তাঁরা বলেন, নদী ও নদীসংযুক্ত খালগুলোকে ঘিরেই গজিয়ে উঠছে ভেড়ি। ফলে নদী হারিয়ে ফেলেছে তাদের স্বাভাবিক গতি। নদীগুলোর নিয়মিত ড্রেজিংয়েরও দাবি তোলেন তাঁরা। এইসকল দাবির সপক্ষে বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা সাধারণ মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহও করেন।
এদিন র‍্যালির পাশাপাশি পটাশপুরের নৈপুর, গোকুলপুর, তালাডিহা, সবংয়ের দশগ্রাম, খড়িকা, সুন্দরপুর প্রভৃতি জায়গায় পথসভারও আয়োজন করা হয়। বিলি করা হয় সচেতনতামূলক প্রচারপত্র। এদিন দক্ষিণবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরাম-এর পক্ষে ঝর্ণা আচার্য্য জানালেন, অবিলম্বে এলাকার কৃষিজীবী ও মৎস্যজীবীদের নিয়ে প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে ডেপুটেশনে দেওয়া হবে।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!