Sunday, December 5, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরতৃণমূলের কমর ভেঙে গেছে,এবার লড়াই বাম কংগ্রেস জোটের সাথে বিজেপির। সবংয়ে এসে...
Advertisement

তৃণমূলের কমর ভেঙে গেছে,এবার লড়াই বাম কংগ্রেস জোটের সাথে বিজেপির। সবংয়ে এসে বললেন সিপিআইএম নেতা অমিয় পাত্র।

Advertisement

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা,সবং:-বাম কংগ্রেস জোটই মানুষের ভবিষ্যৎ ও অধিকার রক্ষার পথ।২১ শে নির্বাচণ সেই বার্তাই দিলো সবংএর চাঁদকুড়ি হাইস্কুল খেলার মাঠ। মাত্র পাঁচটি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার মানুষের সমারহে বামফ্রন্ট ও জাতীয় কংগ্রেস যৌথভাবে এই সমাবেশের ডাক দেয়। সেই সনাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্ব অমিয় পাত্র, জাতীয় কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক ঋজু ঘোষাল এবং সিপিআইএম রাজ্য নেত্রী দেবলীনা হেমরম, সিপিআই রাজ্য নেতা তপন গাঙ্গুলি, কংগ্রেস নেতা চিরঞ্জীব ভৌমিক সহ বাম শরিক দলের নেতৃত্ব বৃন্দ।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

জাতের নামে বজ্জাতি তৃণমূল ও বিজেপিকে তাড়াবে এরাজ্যের মানুষ। তারজন্যই বাম ও জাতীয় কংগ্রেসের প্লাটফর্মে মানুষ সামিল হচ্ছেন তাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকেই। দুই স্বৈরাচারী গনতন্ত্র হরনকারি শাষক দলের বিরুদ্ধে জনরোষের চেহারায় মানুষ এককাট্টা হচ্ছেন। এমন বক্তব্য তুলে ধরে অমিয় পাত্র বলেন, আগামী নির্বাচন হয়ে একদিকে বাম কংগ্রেস জোট আর অপরদিকে বিজেপির সাথে। আর তৃণমূল এর কোমর ভেঙে গেছে। আর উঠে দাঁড়াতে হবেনা। তিনি বলেন এখন মিডিয়া দলবদল নিয়ে পড়ে আছে। ওটাই নিয়ে ওরা থাক। মানুষকে সতর্ক করে বলেন দলবদলের জন্য কি বেকারের কাজ হবে।মোদীর বছরে ২কোটী চাকরির প্রতিশ্রুতি আজ ভাঁওতা। কৃষক শ্রমিকের কি লাভ হবে? আজ কৃষকরা প্রজাতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী নিয়ে ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহে সামিল।মিডিয়া অনুপস্থিত। শ্রমিকরা কাজ হারিয়ে সর্বশান্ত। মজুরী বৃদ্ধির কথা, ফসলের ন্যাহ্য মূল্যের কথা কি দলবদলের দল বলে। মিডিয়াকি সেই সংকোট তুলে ধরে এমন প্রশ্ন তুলে তিনি জনগনকে সজাগ সহ গ্রামে পাড়ায় ভাতের দাবীতে আরও জমাটবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন মমতা ব্যানার্জী যে পথে দল ভাঙিয়ে বিরোধীহীন রাজ্য করতে চেয়ে ছিলো আজ বিজেপিও সেই দেখানো পথে মমতার ঘর ভাঙছে। আর সারা দেশে বিজেপিও গরু ছাগলের বাজার তৈরী করে রাজ্য দখল করছে। তিনি প্রশ্ন তুলেন বিজেপি নেতা জে পি নাড্ডা যে কোনোদিন নিজের গোয়ালঘরে ঢুকেনি সে এখন এরাজ্যে গোয়ালঘরে ঢুকছে গরুকে খাওয়াতে। আরে লকডাইনে গরীব মানুষগুলো খাবার দেওয়ার মুরাদ ছিলোনা এখন গরুকে খাবার খাওয়ায়। এরাজ্যে বিজপির নেতারা কোনো দলিত, আদিবাসী বাড়ীতে খাবার খায়? সারা দেশে দলিত আদিবাসীদের উপর আক্রমণ, বনাধিকার কেড়ে নেওয়া, বস্তি থেকে উচ্ছেদ চালিয়ে এখন বিজেপির নেতারা এরাজ্যে এসে আদিবাসীদের ঘরে পাত পেড়ে ছবি তুলে আর মিডিয়াতেও তার প্রচার হয়। কিন্তু এত অত্যাচারকি চাপা দেওয়া যাবে। বিজেপির জাত পাত বিভাজন, আবার মিম সংগঠনকে ব্যাবহার করে ভোট ভাগ। এরাজ্যে তৃণমূল জাতি, উপজাতি এমন বহুক্ষেত্রে নানা পর্ষদ গড়ে উন্নয়নের ভাঁওতাবাজি করে সেই বিভাজনের রাজনীতিতে চলছে। আর আমাদের দাবী রুটি রুজির দাবীতে সব মানুষের জোট।
কংগ্রেস নেতা ঋজু ঘোষাল এরাজ্যে তৃণমূল দলই রাজ্যে বিজেপিকে ডেকে এনে লালন পালন করে তাদের বাড়তে সাহায্য করেছে তার উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন মমতার সরকারের মুরাদ নেই, বিজেপির কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তেমবি এন আর সি নিয়েও কিছু করেন নি। তিনি বলেন এরাজ্যে এখন বড় কথা হলো পিসি ভাইপো এখনো তৃনমুলটা করে। আর দুই ভাইপোই তোলবাজ একে অপরকে সত্যি কথাটাই এখন স্বীকার করছে।
দেবলীনা হেমরম বলেন নামে দুই ফুল আসলে মুখগুলো সব এক সেই সারদা নারদ সহ বালি চোর, মোরাম চোর, কয়লা চোর মাটি চোর, গরু পাচার সোনা বাচার আর সিন্ডিকেট তোলাবাজ এর মুখ। এরা দো গ্যাড়ার চ্যাং। ছোট ফুলের ডোবা এখন শুকনো হওয়া শুরু করায় বড় ফুলের ডোবায় লাফ দিচ্ছে। এই চোর জুয়োচ্চোর দের তাড়াবে এবার বাংলার মানুষ। গ্রীন রুমে সংগ সেজে যুদ্ধ যুদ্ধ নাটক জনগন ধরে ফেলেছে। এই সমাবেশের আগে বর্নাঢ্য পদযাত্রাও হয়। হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ আত্মপ্রত্যয়ের সমাবেশ থেকে ২১ শে বাম কংগ্রেস জোট প্রার্থীর লড়াই জোরদার হবে এবং এক ইঞ্চিও মাটিও এবার বুথে ছাড়া হবে না তার শপথ নেন জনগন। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টি নেতা গীতা হাঁসদা।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!