Thursday, December 2, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরপুলিশ নিয়োগে প্রাক্তন সেনা কর্মীদের সংরক্ষণ না থাকায়,সরব খড়গপুরের অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের সংগঠন
Advertisement

পুলিশ নিয়োগে প্রাক্তন সেনা কর্মীদের সংরক্ষণ না থাকায়,সরব খড়গপুরের অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের সংগঠন

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭,প:মেদিনীপুর: সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে কনস্টেবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের জন্য কোনও সংরক্ষণ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের প্রাক্তন সেনারা। এমনকি এই বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন দফতরে প্রতিবাদ পত্র পাঠিয়েছে অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের সংগঠন এক্স সার্ভিসম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

এই সংগঠনটির জেলা সদর কার্যালয় ডেবরায়। তাঁদের বক্তব্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করার পর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের জন্য রাজ্য পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল। আর এটি কোনও দয়ার দান নয়। এই চাকরি পাওয়া অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের একটি অধিকারের মধ্যে পড়ে। তাঁদের দাবি রাজ্য পুলিশ বাহিনীতে কনস্টেবল নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ করা হোক। এই ব্যাপারে সংগঠনের জেলা সাধারন সম্পাদক শিবু দাস বলেছেন ” যাঁরা দেশ রক্ষার জন্য নিজেদের জীবনকে তুচ্ছ জ্ঞান করে নানান প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দেশের সেবা করে গিয়েছেন তাঁরা সেনা জীবন থেকে অবসরের পর কেন্দ্র ও রাজ্যের অসামরিক বিভাগে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা অগ্ৰাধিকার পাবেন এটি সরকার স্বীকৃত ও ঘোষিত নীতি। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো গত কয়েক বছর ধরে এই নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। এবারেও তারই পুনরাবৃত্তি ঘটল। সম্প্রতি রাজ্য সরকার পুরুষ কনস্টেবল নিয়োগের জন্য ৭৪৪০টি শূন্য পদ পূরণের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। যেখানে তফশিলী জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্ৰসর শ্রেণীর সংরক্ষণের কথা বলা থাকলেও প্রাক্তন সৈনিকদের জন্য কোনও সংরক্ষণের কথা বলা হয় নি।” তিনি আরও বলেন ” অন্যদের সংরক্ষণ নিয়ে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। কারন দেশের আইন অনুযায়ী এগুলি তাঁদের প্রাপ্য। কিন্তু রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী গ্ৰুপ সি শূন্য পদে পাঁচ শতাংশ এবং গ্ৰুপ ডি শূন্য পদে দশ শতাংশ প্রাক্তন সেনাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটি করা হয় নি।” বিষয়টি নিয়ে আমরা রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাশাপাশি ডাইরেক্টর জেনারেল অফ রি এলোকেশনের দ্বারস্থ হয়েছি। সংগঠনের সভাপতি বিশ্বজিৎ ভুঁইয়া বলেছেন ” এটি কোনও নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে একই জিনিস দেখেছি। আমাদের বহু অবসরপ্রাপ্ত সেনা শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়েও সেই সুযোগ পান নি। সরকারের এইরকম উদাসিনতার কোনও কারন খুঁজে পাচ্ছি না। এমনটাও নয় যে কেবলমাত্র অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক হওয়ার সুবাদে কোনও রকম পরীক্ষা ছাড়াই আমাদের চাকরিতে নিয়োগ করতে হয়। আমাদেরও এই ধরনের চাকরির জন্য সমস্ত রকমের প্রক্রিয়া ও নিয়মকানুন মেনে প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হতে হয়।”

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!