EXCLUSIVE: দফতরের ভুলে,গত দুই মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না! সবংয়ের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী গীতারানি

খড়গপুর ২৪×৭:  দফতর বলছে চাকরি জীবনের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। সুতরাং তিনি এখন প্রাক্তন। আর এই কারনে গত দুই মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না।

সবং থানার বিষ্ণুপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের সাতবেটিয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী গীতারানি মাইতি মন্ডল। আগে সহায়িকা ছিলেন। দশ বছর আগে পদোন্নতি হয়ে কর্মী হয়েছেন। চাকরির মেয়াদ উত্তীর্ণ হতে এখনও আট বছর বাকি রয়েছে তাঁর। কিন্তু দফতর বলছে তিনি অবসরপ্রাপ্ত হয়ে গিয়েছেন। তিনি আর বেতন পাবেন না। আর দফতরের এই ফতোয়ার জেরে তিনি এখন অথৈ জলে পড়েছেন। যদিও ইতিমধ্যে তিনি দফতরে বয়সের প্রমাণপত্র সহ সমস্ত নথি জমা দিয়েছেন।

আর আশায় রয়েছেন সমস্যার সমাধান হবে। জটিলতা কেটে যাবে। আর এই আশায় ভর করে এখনও তিনি রোজ কেন্দ্রে যাচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন দশ বছর আগে সহায়িকা থেকে কর্মী হয়েছেন। জানা গিয়েছে সহায়িকা পদে নিযুক্ত হওয়ার সময় তিনি বয়সের উপযুক্ত প্রমাণপত্র সহ সমস্ত নথি জমা করেন। তাতে দেখা যাচ্ছে তিনি জন্ম তারিখ দেওয়া হয় ১৯৬৪ সালের ১৪ আগস্ট। সেই অনুযায়ী তাঁর এখনও আট বছর মেয়াদ রয়েছে চাকরি জীবনের। তিনি এরজন্য সবং ব্লকের এক করণিকের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন তাঁর অবসরের খবর দিয়েছেন সুপারভাইজার। তাও কোনও লিখিত আকারে নয়। মৌখিকভাবে। এই ব্যাপারে সুপারভাইজার গীতা দাস বিশ্বাস ভুল স্বীকার করে বলেন ” কম্পিউটারে এই কর্মীর বয়সের ভুল তথ্য নথিভুক্ত হয়ে যাওয়ায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। এখন আর কোনও উপায় নেই। নবান্ন থেকে এই ভুল সংশোধন করে আনতে হবে। তারজন্য আরও পাঁচ থেকে ছয় মাস সময় লাগবে। ততদিন তিনি কোনও বেতন পাবেন না।” আর সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্পের সবং ব্লকের সিডিপিও অরুনাভ মাইতি বলেছেন ” এই কর্মীর কাজের মেয়াদ নিয়ে একটি জটিলতা তৈরি হয়েছে।

ওনার দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দাবি সঠিক হলে ফের কাজে ফিরে আসবেন। বিষয়টি আমাদের হাতে নেই। নবান্ন থেকে সবকিছু ঠিকঠাক করে আনতে হবে। আপাতত কিছু করার নেই।” তবে তিনি কাজ ফিরে পেলে এরিয়ার সহ বকেয়া পুরো বেতন পাবেন।”