খড়গপুরে সিভিক পুলিশ কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যু,এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য

খড়গপুর ২৪×৭: এক সিভিক পুলিশ কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার গোপালি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের হিড়াডিহি এলাকায়। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ এই এলাকায় রাস্তার ধার থেকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত সিভিক পুলিশ কর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।

খবর পেয়ে খড়গপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপক সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম সুভাষ রায় (৩০)। বাড়ি এই এলাকায়। পরিবারের দাবি কয়লা পাচারে বাধা দেওয়ার জন্য তাঁকে খুন করা হয়েছে। আর পুলিশের দাবি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। তবে এইদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।

পুলিশ আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খড়গপুর) রানা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার এই সিভিকের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা বৃষ্টির কারণে পিছল রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে মোপেডটি পড়ে যায়। তখনই মাথায় আঘাত লাগে। দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকায় অধিক রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

তবে বুধবার ফরেনসিকের একটি দল ঘটনাস্থলে যাবে। এদিকে মৃতের বৌদি জয়শ্রী রায় জানিয়েছেন সোমবার রাত সাড়ে এগারোটায় দেওর ডিউটিতে যায়। সকালে প্রাতঃভ্রমণকারি একজন এসে খবর দেন দেওরের মৃতদেহ রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে। আর মৃতের মামাতো ভাই উমাকান্ত দাস বলেছেন দাদাকে খুন করা হয়েছে। কারন হিড়াডিহি রেক সাইটে দীর্ঘদিন ধরে কয়লা পাচার হয়ে আসছে। এই কয়লা পাচারের প্রতিবাদ করে দাদা বাধা দিত।

আর এরজন্য সুভাষের কাছে হুমকি ফোন আসত। শুধু তাই নয় সোমবার সকালে কয়েকজন প্রকাশ্যে তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। তারপরেই রাতে দাদাকে খুন করা হয়েছে বলে তিনি জানালেন। এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে। তারসাথে টিভি এক্সেল মোপেডটি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাহারায় রেখে দেওয়া হয়েছে।