খড়গপুর হাসপাতাল চত্বরে পড়ে রয়েছে ব্যবহৃত পিপিই কিট

খড়গপুর ২৪×৭: আবর্জনার স্তূপাগারে পরিণত হয়েছে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বর। একদিকে হাসপাতালের পেছনদিকে পড়ে রয়েছে পিপিই কিট থেকে শুরু করে মাস্ক সহ গ্লাভস।

অপরদিকে হাসপাতালের মর্গের দিকে পড়ে রয়েছে দুনিয়ার আবর্জনা। ফলে একেবারে নরককুন্ডে পরিণত হয়েছে হাসপাতাল চত্বরের একাংশ। এদিকে আবার করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য প্রতিদিন বহু মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন হাসপাতাল চত্বরে। ফলে সাধারন মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে হাসপাতাল চত্বরে পেছনের দিকে পিপিই কিট সহ মাস্ক ও গ্লাভস পড়ে থাকার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তারসাথে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বুঝতেই পারছেন না এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পিপিই কিট সহ মাস্ক ও গ্লাভস কোথা থেকে এসেছে। তবে অন্যান্য আবর্জনা স্তুপাকৃতি হয়ে থাকার জন্য খড়গপুর পুরসভাকে দায়ি করা হচ্ছে। কারন নন বায়োলজিক্যাল আবর্জনা সরানোর দায়িত্ব পুরসভার। এই ব্যাপারে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন ” এই বিচ্ছিন্নভাবে পড়ে থাকা কয়েকটি পিপিই কিট সহ মাস্ক ও গ্লাভস কোথা থেকে এলো বুঝতে পারছি না।

কারন কোনও চিকিৎসক বা নার্স এইভাবে এইসব জিনিস ফেলবেন না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।” আর মর্গের দিকে আবর্জনা স্তুপাকৃতি হয়ে থাকার জন্য তিনি খড়গপুর পুরসভাকে দায়ি করেছেন। রীতিমতো অসহায়তা প্রকাশ করে তিনি বলেন ” নন বায়োলজিক্যাল আবর্জনা সরানোর দায়িত্ব পুরসভার। এই ব্যাপারে পুরসভাকে বহুবার বলা হয়েছে। কিন্তু কোনও কাজ হয় নি।

দেখি আবার বলব।” এদিকে খড়গপুর পুরসভার প্রশাসক সমীর কুমার দাস জানিয়েছেন বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তবে এইভাবে হাসপাতাল চত্বরে ময়লা জমে থাকায় আতঙ্কিত মানুষজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী নামে ভ্যাকসিন নিতে আসা এক ব্যক্তি বলেন ” এই করোনা কালে এইভাবে পিপিই কিট পড়ে থাকা ঠিক নয়।

এতে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। আমার মত বহু মানুষ প্রতিদিন ভ্যাকসিন নিতে আসছেন। ফলে সকলের মধ্যে একটি আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।” নীলিমা সেন নামে এক মহিলা জানালেন অবিলম্বে এইসব আবর্জনা সরানোর ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।