ঘূর্ণিঝড় যশ মোকাবিলায়, তৎপর সবং ব্লক প্রশাসন! জানালেন জলসম্পদ মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া

সবং, ২৩ মে : শনিবার বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে গভীর নিম্নচাপ। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের সচিব চিঠি দিয়ে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছিল, ‘‘বাড়তে পারে জল ও বায়ুবাহিত রোগের প্রকোপ’, ‘সতর্ক থাকতে হবে জনস্বাস্থ্য বিভাগকে’, ‘জরুরি ভিত্তিতে খুলতে হবে কন্ট্রোল রুম’। ৭২ ঘণ্টায় পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে, প্রভাব পড়বে বাংলা ও ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকায়, ‘করোনা পরিস্থিতিকে ঘোরাল করে তুলতে পাড়ে ঝড়’, শিবির বা অস্থায়ী বাসস্থানে মানুষকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, ‘নিম্নচাপটি ঘুর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে আগামী ২৪ তারিখ।

সেদিন থেকেই বাংলায় এর প্রভাব দেখা যাবে। ২৬ বা ২৭ তারিখ বাংলা ও ওড়িশায় আছড়ে পড়তে পারে। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’, মোকাবিলায় তৈরি প্রশাসন, মৎস্যজীবীদের সতর্ক করতে ইতিমধ্যেই জেলা সহ ব্লক গুলিতে শুরু হয়েছে মাইকে প্রচার।

অন্যান্য ব্লকের সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় পিছিয়ে নেই সবং। ইতিমধ্যে সবং এর বিভিন্ন এলাকা জুড়ে সবং ব্লক প্রশাসন মানুষকে সচেতন করার জন্য প্রচার চালাচ্ছেন। এ ব্যাপারে রাজ্যের জল সম্পদ মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বলেন, গত তিনদিন ধরে এসডিপিও,সবং ওসি,বিডিও সমস্ত আধিকারিকদের নিয়ে আমরা যশ মোকাবিলায় বৈঠক করেছি। নওগাঁ-ভেমুয়া-চাউলকুড়ি-বিষ্ণুপুর সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় আমরা রেসকিউ সেন্টার চিহ্নিত করেছি।

এছাড়াও প্রতিটি অঞ্চলের বড় বড় স্কুল বিল্ডিং আমরা নিয়েছি। এলাকাবাসীদের আমরা অনুরোধ করেছি। যাদের নদীর পাড়ের কাছে বাড়ি, যাদের ছোট ছোট ঘর রয়েছে। তাদের অবিলম্বে স্কুলগুলিতে সরে আসার কথা বলা হয়েছে। সবং পুলিশ ও বিডিও এব্যাপারে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তারা প্রতিদিন এলাকায় এলাকায় মাইকিং করছে আর মানুষকে সচেতন করার জন্য। ঈশ্বরের কাছে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা জানাচ্ছি প্রকৃতিকে শান্ত করো।