Saturday, October 16, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরEXCLUSIVE: খড়গপুর শহরের একটি ডায়গনস্টিক সেন্টারে ভুয়ো টীকাকরণের অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান,গ্রেফতার ডায়গনস্টিক...

EXCLUSIVE: খড়গপুর শহরের একটি ডায়গনস্টিক সেন্টারে ভুয়ো টীকাকরণের অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান,গ্রেফতার ডায়গনস্টিক সেন্টারের অন্যতম কর্মকর্তা

- Advertisement -

KGP 24X7:  স্বাস্থ্য দফতরের কোনও অনুমতি না নিয়ে টীকাকরণ কর্মসূচি করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তারসাথে ভ্যাকসিন নিতে আগ্ৰহীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় আদায়ীকৃত টাকার সঠিক সংখ্যা না লিখে কম টাকা লিখে একটি করে ভুয়ো রশিদ দেওয়া হয়েছে।

এরকমই একগুচ্ছ অভিযোগ পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। রবিবার বিকালে খড়গপুর শহরের মালঞ্চ রোডের ধারে অ্যাপোলো ডায়গনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালায় প্রশাসন। খড়গপুর মহকুমা শাসকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে এই ডায়গনস্টিক সেন্টারের অন্যতম কর্মকর্তাকে গ্ৰেফতার করা হয়। আটক করা হয় আরও দুজন কর্মচারীকে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও প্রচুর রশিদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ব্যাপারে খড়গপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপক সরকার জানিয়েছেন ধৃত ব্যক্তির নাম আবির বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ি খড়গপুর শহরের সুভাষপল্লী এলাকায়।

- Advertisement -

বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রায় ৭৭ হাজার টাকা। আর আটক করা হয়েছে আরও দুজন কর্মচারীকে। তিনি আরও জানিয়েছেন বাজেয়াপ্ত করা এই বিপুল পরিমাণ টাকা সাধারন গ্ৰাহকদের থেকে আদায় করা হয়েছিল। খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে এই ডায়গনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে একটি জালিয়াতির মামলা সহ বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তারসাথে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে সোমবার এই টীকাকরণ কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই রবিবার বিকালে এই অভিযান হলো। বেসরকারি ক্ষেত্রে টীকাকরণ কর্মসূচির জন্য সরকার নির্ধারিত মূল্য হলো ৭৮০ টাকা।

কিন্তু এই ডায়গনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ প্রতিটি টীকাকরণের জন্য ১১৫০ টাকা করে নেয়। শুধু তাই নয় গ্ৰাহকদের একটি রশিদ দেওয়া হয়। যেখানে এই ডায়গনস্টিক সেন্টারের নামের বদলে এস এন্ড আর নামের একটি রশিদ দেওয়া হয়। আর সেই রশিদে ১১৫০ টাকার বদলে ৭৮০ টাকা লিখে প্রতিটি গ্ৰাহককে দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাপারে খড়গপুর মহকুমা শাসক আজমল হোসেন জানিয়েছেন স্বাস্থ্য দফতরের কাছ থেকে কোনও রকম অনুমতি না নিয়ে টীকাকরণের কর্মসূচি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এছাড়া টীকাকরণ কর্মসূচি করার মত উপযুক্ত পরিকাঠামো ছিল না।

তিনি বলেন নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে স্বাস্থ্য দফতরকে জানাতে হবে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে পরিদর্শন করা হবে। তারপর সবুজ সংকেত পাওয়া গেলে অনুমতির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে।

কিন্তু এইসব প্রক্রিয়ার কোনও কিছু করা হয় নি বলে তিনি জানালেন। এমনকি এই ব্যাপারে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক থেকে শুরু করে সরকারি স্বাস্থ্য আধিকারিক ও খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপারের কোনও অনুমতি নেওয়া হয় নি বলে তিনি জানালেন। পুরোপুরি জালিয়াতি করে এই টীকাকরণ কর্মসূচি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!