যশ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিপূরণের তালিকায় নিয়ে,বিস্ময় প্রকাশ করলেন দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম প্রধান

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: যশ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণের তালিকায় ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করলেন দাঁতনের বিধায়ক বিক্রম প্রধান। তিনি এই তালিকার বিরোধীতা করেছেন। দাবি করেছেন গোটা ঘটনার তদন্ত করার জন্য। আর পুনরায় নতুন তালিকা তৈরির জন্য।

যদিও বিডিও এই ব্যাপারে অসহায়তা প্রকাশ করেছেন। তাঁর এখন আর কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন। দাঁতন এক নম্বর ব্লকে যশ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণের তালিকায় ৮৫৬ জনের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন পত্র জমা পড়েছিল ৬১২৪টি। বাতিল করা হয়েছে ৫২৬৮টি আবেদন। চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা হয়েছে ৮৫৬ জনের। আর এই জায়গাতেই প্রবল আপত্তি বিধায়কের।

এই ব্যাপারে বিধায়ক বিক্রম প্রধান রীতিমতো ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন ” কারা তদন্ত করেছেন জানি না। এতজন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন না। কারন যশ ঘূর্ণিঝড়ে দাঁতন এক নম্বর ব্লকে এত ক্ষতি হয় নি। আমি এই তালিকার বিরোধীতা করছি। বিষয়টি নিয়ে বিডিওকেও বলেছি।” গোটা ঘটনার তদন্তের দাবি করে তিনি বলেন ” দাঁতন এক নম্বর ব্লকে ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা খুব বেশি হলে ১৫০ থেকে ২০০ জন হবে। এর বেশি কিছুতেই হতে পারে না।” আর দাঁতন এক ব্লকের বিডিও চিত্রজিৎ বসু বলেছেন ” আমার কিছু করার নেই।

তদন্তকারী অফিসাররা খতিয়ে দেখে এই তালিকা তৈরি করেছেন। প্রতিটি আবেদন খতিয়ে দেখার জন্য গোটা ব্লকে ৩৫টি টিম বেশ কয়েকদিন ধরে কাজ করেছে।” জানা গিয়েছে গোটা জেলায় যে সাতটি ব্লকে যশ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি হয়েছে তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি তালিকায় নাম রয়েছে এই দাঁতন এক নম্বর ব্লকে। সবংয়ে ৫৬৩টি, মোহনপুরে ২৫২টি, দাঁতন দুই নম্বর ব্লকে ৯০টি, কেশিয়াড়ি ব্লকে ১২৯টি নামের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।

তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পত্র জমা পড়েছিল সবং ব্লকে। এখানে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন পত্র জমা পড়েছিল ৯৫৭৫টি। এছাড়া মোহনপুর ব্লকে জমা পড়েছিল ৬১০৩টি, দাঁতন দুই নম্বর ব্লকে জমা পড়েছিল ২৩৮০টি ও কেশিয়াড়ি ব্লকে জমা পড়েছিল ১৫০১টি। গত ১৯ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট স্তরের আধিকারিকদের নেতৃত্বে এই আবেদন পত্র সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হয়েছে সাতটি ব্লকে। এক্ষেত্রে প্রতিটি ব্লকে একাধিক টিম কাজ করেছে।