Monday, November 29, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরবিধায়ক হিরণ এখন কোথায়? তাঁর খোঁজ দিতে পারলে মিলবে সেলফি তোলার সুযোগ!...
Advertisement

বিধায়ক হিরণ এখন কোথায়? তাঁর খোঁজ দিতে পারলে মিলবে সেলফি তোলার সুযোগ! পোস্টারে ছয়লাপ খড়গপুর এলাকা

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: ” বিধায়ক নিখোঁজ, খুঁজে দিলেই পুরস্কার।” রেলনগরী খড়গপুর শহরের তালবাগিচা এলাকা ব্যঙ্গাত্মক এই পোস্টারে ছয়লাপ। তবে এখানেই শেষ নয়।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

কোথাও কোথাও আবার তীব্র ব্যঙ্গ করে পোস্টারে লেখা হয়েছে ” বিধায়ককে খুঁজে দিলেই ফ্রিতে সেল্ফি।” বিধায়ক তুমি কোথায়? আমরা খড়গপুরে কনটেনমেন্ট জোনে।” আর শুক্রবার সকাল গড়িয়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে এই ব্যঙ্গাত্মক পোস্টারগুলিকে কেন্দ্র করে গোটা খড়গপুর শহরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও দুপুরের দিকে ফোন ধরেই খড়গপুর শহরের বিজেপির তারকা বিধায়ক হিরণ ফোন ধরেই বললেন ” নিরুদ্দেশ হলে কি ফোন ধরতাম!

” এইদিন সাতসকালে তারকা বিধায়ক হিরণকে নিয়ে নামগোত্রহীন এইধরনের ব্যঙ্গাত্মক পোস্টার দেখে তালবাগিচা এলাকায় অনেকেই চমকে উঠেন। অনেকে আবার এই পোস্টারগুলিকে সমর্থন করেন। বাবলু সমাদ্দার নামে একজন জানালেন ” এই পোস্টার কারা দিয়েছেন জানি না। তবে যাঁরাই দিন একদম ঠিক কথা লিখেছেন। সত্যিই তো দীর্ঘদিন ধরে আমরা বিধায়ককে দেখতে পাচ্ছি না।

” যদিও এই পোস্টারের দায় কেউ নেন নি। পোস্টারে কোথাও কোনও প্রতিষ্ঠানের নাম কিংবা সংগঠনের নাম দেওয়া নেই। তবে মনে করা হচ্ছে এইসব পোস্টারের পেছনে তৃণমূলের পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও তৃণমূল নেতারা এই দায় নেন নি। এমনকি এই পোস্টার লাগানোর পেছনে তাঁদের কোনোও ভূমিকা নেই বলে দাবি করেছেন।

এই ব্যাপারে খড়গপুর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালবাগিচা এলাকার বাসিন্দা তথা যুব তৃণমূলের খড়গপুর শহর কমিটির সভাপতি অসিত পাল বলেছেন ” আমরা জানি না এই পোস্টার কারা দিয়েছেন। তবে মনে হয় এলাকার নাগরিকরাই এই পোস্টার লাগিয়েছেন।” পাশাপাশি তিনি বলেন পোস্টার যাঁরাই লাগান না কেন ঠিকই বলেছেন।

এটা তো ঘটনা বিধায়ককে শহরের মানুষ দীর্ঘ পনেরো থেকে কুড়ি দিন ধরে খুঁজে পাচ্ছেন না। এমনকি একটা সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য মানুষজনকে হন্যে হয়ে ঘুরতে হচ্ছে।” অপরদিকে তারকা বিধায়ক হিরণ অবশ্য এই পোস্টারকে খুব বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেছেন ” সাধারন জ্ঞান বলে কেউ নিরুদ্দেশ হলে প্রথমে তাকে ফোন করতে হয়। ফোনে না পাওয়া গেলে থানায় একটি মিসিং ডায়েরি করতে হয়। এই ক্ষেত্রে সেসব তো কিছু করা হয় নি।

তাছাড়া যাঁরা আমাকে ফোন করেন তাঁদের প্রত্যেকের সাথে কথা হয়। এই যেমন আপনার ফোন ধরলাম। কথা হল। তাহলে নিরুদ্দেশ কি করে হলাম।” তিনি বলেন এতদিন ধরে বিধানসভা অধিবেশনে ব্যস্ত ছিলেন। এবারে দিল্লীতে গিয়ে নতুন রেলমন্ত্রীর সাথে দেখা করার কর্মসূচি রয়েছে। অ্যাপয়েনমেন্ট পেলেই নতুন রেলমন্ত্রীর সাথে দেখা করে খড়গপুর শহরের রেল এলাকার বিভিন্ন সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করার কর্মসূচি রয়েছে।

তবে এই পোস্টার লাগানোর পেছনে তৃণমূলকে সরাসরি দায়ি না করে তিনি বলেন ” বিধানসভা নির্বাচনে হার হয়েছে। এবারে পুরসভা নির্বাচনে হারবে। তাই সেই আতঙ্কে এইধরনের নোংরা রাজনীতি করা হচ্ছে। আমি কোথাও যাই নি। খড়গপুর শহরের মানুষের সাথেই রয়েছি। সারাদিনে বহু মানুষের সাথে ফোনে যোগাযোগ হয়।” পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই খড়গপুর শহরে পৌঁছাবেন।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!