Thursday, September 23, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরখড়গপুরে জাতীয় সড়কের ধারে হোটেলে মধুচক্রের আসর,পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার এক মহিলা-সহ ৭

খড়গপুরে জাতীয় সড়কের ধারে হোটেলে মধুচক্রের আসর,পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার এক মহিলা-সহ ৭

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: অভিযোগ অনেকদিন ধরেই উঠছিল। এবারে পুলিশের অভিযানে সেই অভিযোগে সীলমোহর পড়ল। অভিযোগ উঠেছিল খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার সাহাচক ও সাদাতপুর এলাকায় ছয় নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বেশ কয়েকটি হোটেলে মধুচক্র চালানো হচ্ছে।

তারজন্য জেলার বাইরে থেকে মহিলাদের এই হোটেলগুলিতে নিয়ে এসে দেহ ব্যবসা করানো হচ্ছে। শুক্রবার রাতে খড়গপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপক সরকারের নেতৃত্বে খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এই দুটি এলাকায় ছয় নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দুটি হোটেলে অভিযান চালায়।

- Advertisement -

তাতে দুটি হোটেলে মধুচক্রের আসর থেকে এক মহিলা সহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। আর আটজন যুবতী ও মহিলাকে উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি হোটেল দুটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আটক করা হয়েছে বেশ কিছু সামগ্ৰী ও নগদ টাকা। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের মধ্যে দুটি হোটেলের মালিক রয়েছেন। এঁরা হলেন তপন মাইতি ও সুইটি বিবি।

এঁদের বাড়ি মোহনপুর ও মেদিনীপুর কোতয়ালী থানা এলাকায়। আর বাকি পাঁচজন পুরুষ খদ্দের। উদ্ধার হওয়া যুবতী ও মহিলারা সহ সকলকে শনিবার জেলা আদালতে হাজির করা হয়। বিচারকের নির্দেশে দুই হোটেল মালিকের দুদিনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে। বাকি পাঁচ ব্যাক্তির জেল হাজত হয়েছে। আর উদ্ধার করা আট যুবতী ও মহিলাদের হাওড়ার লিলুয়া হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এঁরা সকলেই কলকাতা, নদীয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া এই জেলার দুজন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই ব্যাপারে খড়গপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপক সরকার জানিয়েছেন ছয় নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দুটি হোটেলে মধুচক্রের আসর থেকে এক মহিলা সহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তারমধ্যে দুজন হোটেল মালিক রয়েছেন। উদ্ধার করা হয়েছে আটজন যুবতী ও মহিলাকে। দুটি হোটেলে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর শিবম হোটেল থেকে আটক করা হয়েছে নগদ সাড়ে সাত হাজার টাকা, দশ থেকে বারোটি মদের বোতল ও কন্ডোম। অপরদিকে কালিমাতা হোটেল থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে নগদ কুড়ি হাজার টাকা, আট বোতল মদ ও কন্ডোম।

 

প্রসঙ্গত খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার সাহাচক ও সাদাতপুর এলাকায় ছয় নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বেশ কয়েকটি হোটেলে দেহ ব্যবসা বহুদিন ধরে রমরমিয়ে চলছে। তবে এই অভিযানে কিছুদিন বন্ধ থাকলেও পরে আবার সবকিছু ম্যানেজ করে চালু হয়ে যাবে বলে স্থানীয় সকলেরই ধারনা। কারন এর আগেও এরকম পুলিশী অভিযান হয়েছে কয়েকবার। পরে অবশ্য সবকিছু বহাল তবিয়তে চালু হয়েছে বলে অভিযোগ।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!