Thursday, September 23, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরপাস করেও নম্বর বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ সিবিএসই দ্বাদশ উত্তীর্ণদের,উত্তাল খড়গপুর

পাস করেও নম্বর বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ সিবিএসই দ্বাদশ উত্তীর্ণদের,উত্তাল খড়গপুর

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: কোথাও নম্বর বাড়ানোর দাবিতে পথ অবরোধ। আবার কোথাও ফিজ কমানোর দাবিতে বিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান। সবমিলিয়ে সোমবার খড়গপুর শহরের দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের বিক্ষোভ আন্দোলনে সরগরম রইল।

তবে এইদিন বড় বিক্ষোভ ও পথ অবরোধ হয়েছে খড়গপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র গোলবাজার ভান্ডারিচক এলাকায়। এখানে রেল পরিচালিত বিএনআর একসেলেন্সি অ্যাকাডেমির সিবিএসই পরীক্ষার্থীরা পথ অবরোধ করেন। আর এই পথ অবরোধে অভিভাবকেরাও সামিল হন। তবে এই পথ অবরোধ শুধু গোলবাজার ভান্ডারিচক এলাকায় হয়নি।

- Advertisement -

পুরনো রেলের বয়েজ স্কুলের সামনে সাত নম্বর এলাকাতেও পথ অবরোধ হয়। প্রায় ঘন্টাখানেকের এই পথ অবরোধে গোলবাজারে যাতায়াতের পথ পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে যায়। যদিও পরবর্তীকালে সাধারন মানুষের তুমুল ক্ষোভের মুখে পড়ে এই পথ অবরোধ উঠে যায়। এইদিন সোমা দিক্ষীত নামে সিবিএসই এক পরীক্ষার্থী জানালেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের হিসাব মত রেজাল্ট তৈরি করে বোর্ডে পাঠিয়েছে। যারজন্য অনেকের নম্বর কম এসেছে।

তিনি বলেন লকডাউনের জন্য দুটি পরীক্ষা নেওয়া হয় নি। কোনও রিপোর্ট কার্ড দেওয়া হয় নি। অভিভাবকদের সঙ্গে কোনও সভা করা হয় নি। ইচ্ছামত নম্বর পাঠানো হয়েছে। তাঁর দাবি প্রত্যেকের রিভিউ করা হোক। গোপা হালদার নামে এক অভিভাবক রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ” অধ্যক্ষ বাচ্চাদের নম্বর নিয়ে জালিয়াতি করেছেন। অনেক বাচ্চার ভবিষ্যত অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। গত দেড় বছরে ঠিকমত পড়ানো হয় নি।

নেট সমস্যার কারণে অন লাইনেও ঠিকমত পড়াশোনা হয় নি। তাঁর দাবি প্রত্যেক পরীক্ষার্থীদের সঠিক নম্বর দেওয়া হোক। অপরদিকে বিএনআর একসেলেন্সি অ্যাকাডেমির অধ্যক্ষ জয়শংকর তাঁতি বলেছেন সিবিএসইর নিয়ম মেনে নম্বর পাঠানো হয়েছে। কোনও বৈষম্য করা হয় নি। এদিকে এইদিন বিদ্যালয়ে দ্বাদশ ও একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির সময় অতিরিক্ত ফীজ নেওয়ার প্রতিবাদে খড়গপুর শহরের জফলা আদর্শ বিদ্যায়তন উত্তাল হয়ে ওঠে।

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। অভিযোগ দ্বাদশ শ্রেণীতে ভর্তির ক্ষেত্রে৭৫০ টাকা ও অতিরিক্ত ৮০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।যা একেবারেই অন্যায় বলে পড়ুয়ারা জানিয়েছেন। আর একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির ক্ষেত্রে আটশো টাকা করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আর ফর্মের জন্য আলাদাভাবে ৫০ টাকা করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে পড়ুয়াদের এই বিক্ষোভের জেরে আপাতত ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।

এই ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক স্বপন মান জানিয়েছেন ভর্তি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!