রাত পোহালেই লক্ষ্মীর আরাধনা,ব্যস্ততা তুঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কুমোর পাড়াগুলিতে।

খড়গপুর ২৪×৭:-বৃহস্পতিবার শেষ মুহূর্তে তুলির টান চলল কুমোর পাড়ায়। মৃৎ শিল্পীদের চূড়ান্ত ব্যস্ততায় গড়ে উঠছে ধনদেবী লক্ষী। তাই মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। শুক্রবার প্রায় বাড়িতেই পূজিত হবেন ধনদেবী লক্ষী। তাই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা গোসাইবাজার, ডেবরা মেদিনীপুর শহর, ঘাটাল, সবং, নারায়ণগড় কুমোরপাড়া গুলিতে এক অন্য উন্মাদনা। কথায় আছে, বাঙালির, বারো মাসে তেরো পার্বণ। তাইতো মা দুর্গার বিসর্জনের তিন দিনের ব্যবধানে পূজিত হবেন মা লক্ষ্মী। তিথি মেনে আগামীকাল হতে চলেছে এই লক্ষ্মীপূজা। তাই আপামর বাঙালি এখন পা বাড়িয়েছে কুমোরপাড়া গুলির দিকে প্রতিমা ক্রয়ের জন্য। দেবীপক্ষের পঞ্চমী থেকে ষষ্ঠীর মধ্যে তৈরি করা দুর্গা প্রতিমা গুলি মণ্ডপে মণ্ডপে পৌঁছানোর পর শুরু হয় লক্ষ্মী প্রতিমার গড়ার কাজ। হাতে সময় কম তাই মৃৎশিল্পীরা চান চটজলদি তাদের নির্মাণ শিল্প গুছিয়ে ফেলতে। গৃহস্থের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমায় বিশেষভাবে পূজিত হন ধনদেবী লক্ষী। তাই দেবীর আরাধনায় মৃৎশিল্পীদের প্রতিমা নির্মাণ এর চাহিদা অনেক বেশি থাকে। তবে করোনার থাবা অনেকটাই প্রতিমার চাহিদা কমিয়ে দেবে এই আশঙ্কা করছে মৃৎ শিল্পীরা।