Saturday, May 28, 2022
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরপ্রচুর মোবাইল ফোন সহ সোনার হার উদ্ধার করল খড়গপুর টাউন থানার পুলিশ,...
Advertisement

প্রচুর মোবাইল ফোন সহ সোনার হার উদ্ধার করল খড়গপুর টাউন থানার পুলিশ, গ্রেফতার ৯

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: নয় জনকে গ্রেফতার করে চুরি যাওয়া প্রচুর মোবাইল ফোন ও দুটি সোনার হার উদ্ধার করল খড়গপুর টাউন থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার জানিয়েছেন গত দুই মাসে খড়গপুর শহরে একাধিক মোবাইল ফোন চুরি ও গলার হার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

এই নিয়ে থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে গত দু মাসে বিভিন্ন সময় নয়জনকে গ্ৰেফতার করা হয়েছে। তারমধ্যে বেশিরভাগ বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে। তাদেরকে জেরা করে এই মোবাইল ফোন ও দুটি সোনার হার উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন এখন পর্যন্ত ৩২টি চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। আর দুটি গলার হার উদ্ধার করা হয়েছে।

এগুলির মালিকেরা আদালতে উপযুক্ত প্রমাণ দিলে পেয়ে যাবেন। এদিন বেশ কয়েকজন থানায় উপস্থিত হয়েছিলেন চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন ও গলার হার পাওয়ার আশায়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে আদালতে উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারলে পেয়ে যাবেন। এরকমই একজন খড়গপুর শহরের বিদ্যাসাগরপুর এলাকার শাশ্বতী বসু। গত ২৩ জুন বাড়ির সামনে দুপুর বেলায় তিনজন দুষ্কৃতী একটি মোটরবাইকে চেপে এসে তাঁর গলা থেকে হার ছিনতাই করে পালায়।

যদিও পরবর্তীকালে তিন দুষ্কৃতী ধরা পড়ে যায়। থানায় দাঁড়িয়ে তিনি পুলিশের কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন ” পুলিশ খুব ভালো কাজ করেছে। ভাবতে পারি নি খোয়া যাওয়া হার আবার ফেরত পাব।” যদিও এইদিন তিনি খোয়া যাওয়া গলার সোনার হার হাতে পান নি। তবে পেয়ে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

এই ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন ঘটনাগুলি ঘটার পর খড়গপুর টাউন ও গ্ৰামীণ থানার পাঁচটি পয়েন্টে নাকা চেকিং শুরু হয়। তাতেই এই সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। এদিকে কর্তব্যে গাফিলতির কারণে খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার দুজন ভিলেজ পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে তিনি জানালেন। পাশাপাশি জানালেন এইদিন রিপোর্ট পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গিয়েছে একটি বেআইনি বালি গাড়ির ব্যপারে সময়মত খবর দেন নি এই দুই ভিলেজ পুলিশ। পরে খবর পাওয়ার পর খড়গপুর গ্ৰামীণ থানার পুলিশ বেআইনি বালি গাড়িটি আটক করে। এদিকে তিনি জানিয়েছেন বেআইনি বালি ও মোরাম বোঝাই গাড়ি ধরার অভিযান চালানো হচ্ছে।

রাজ্য সরকারের নির্দেশ মত উপযুক্ত প্রমাণ পত্র ও চালান নিয়ে সীমিত পরিমাণ বালি বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হলে কিছু বলা হচ্ছে না। কিন্তু ওভারলোডেড বালি গাড়ি দেখলেই ধরে আর্থিক জরিমানা সহ আটক করা হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে জেলার কোথাও মোরাম খাদান থেকে মোরাম উত্তোলনের অনুমতি নেই। এছাড়া আঠারো বছরের নিচে কেউ গাড়ি যাতে না চালায় তারজন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উদ্দেশ্য পথ দুর্ঘটনা আটকানো।

পাশাপাশি গাড়ি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি পত্র রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারসাথে করোনা বিধিনিষেধ মেনে মাস্ক সকলে পড়ছেন কিনা তার উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই অনেককেই বিধিনিষেধ অমান্য করার জন্য আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!