Saturday, August 13, 2022
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরExclusive: নারায়ণগড়ের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ব্রঞ্চের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে শহরে
Advertisement

Exclusive: নারায়ণগড়ের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ব্রঞ্চের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে শহরে

Advertisement

Advertisement

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: এবারের পুজোয় ব্রোঞ্জের তৈরি দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দেবে নারায়ণগড় থানার পাকুরসেনি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্ৰাম বেনাডিহা থেকে হাওড়া শহরে। এই শহরের রামকৃষ্ণ স্বামীজি স্মৃতি সংঘ ক্লাবে যাচ্ছে ব্রোঞ্জের তৈরি এই দুর্গা প্রতিমা। তৈরি করছেন নারায়ণগড় থানার বেনাডিহা গ্ৰামের শিল্পী সুধীর মাইতি।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

তাঁর নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি এই ব্রোঞ্জের দুর্গা প্রতিমা যেন প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে। কর্মসূত্রে তিনি থাকেন কলকাতায়। কিন্তু সেখানে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে নিজের জন্মভিটা এই বেনাডিহা গ্ৰামে চলে এসেছেন। এখানেই গত আড়াই মাস ধরে এই প্রতিমা তৈরির কাজ করে চলেছেন। এবারে বারো ফুট উচ্চতার দুর্গা প্রতিমা তিনি তৈরি করছেন। যেটি অন্যবারের তুলনায় অনেকটাই বেশি। প্রতিমা শিল্পী হিসাবে তাঁর তৈরি দুর্গা প্রতিমা জেলা থেকে শহরে সর্বত্র সমাদৃত।

গত বছর অতিমারির কারনে শিল্পীরা সংকটে পড়েছিলেন। এই বছর পরিস্থিতির কিছুটা হলেও পরিবর্তন হয়েছে। প্রায় আড়াই মাস আগে থেকে এই ব্রোঞ্জের দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেছেন এই শিল্পী। গত পাঁচ বছর ধরে তিনি বেশিরভাগ সাবেকিয়ানা মূর্তি তৈরি করছেন। কিন্তু এবারে কাজ করছেন ব্রোঞ্জের তৈরি প্রতিমা। এক কাঠামোয় থাকছে ব্রোঞ্জের তৈরি দুর্গা প্রতিমা সহ লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ ও কার্তিক। তিনি জানালেন বিগত বছরগুলির তুলনায় এই বছর অনেক বেশি প্রতিমা তৈরির বরাদ্দ পেয়েছেন।

কর্মরত অবস্থায় শিল্পী সুধীর মাইতি…………

ব্রোঞ্জের দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজে নিমগ্ন  শিল্পী সুধীর মাইতি জানালেন ব্রোঞ্জের তৈরি কোনও সাবেকিয়ানার দুর্গা প্রতিমা নেই। তাই তিনি সাবেকি দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন ব্রোঞ্জের। বারো ফুটের এই দুর্গা ইতিহাস থেকে জানতে পেরেছেন। ইতিহাস পড়ে জানা যায় বলে তিনি জানালেন। তাই তিনি ব্রোঞ্জের দুর্গা মূর্তি তৈরি করছেন। তিনি বলেন গ্ৰাম থেকে শহরে মানুষ যায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে। আবার শহর থেকে গ্ৰামে ফিরে আসে শিকড়ের সন্ধানে। তিনি জীবনের বেশিরভাগ সময়টাই শহরে কাটিয়েছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় সেই গ্ৰামেই ফিরে এসে এই কাজটি শুরু করেছেন বলে জানালেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন ” আমার কাছে দুর্গা প্রতিমা তৈরির প্রস্তাব আসলে আমি সাফ জানিয়ে দিই ভাষান প্রতিমা বানাবো না। এত কষ্ট করে শিল্পী মূর্তি তৈরি করবে আর সেটি ভাসিয়ে দেওয়া হবে তাতে আমার সম্মতি ছিল না।” তাই তাঁর তৈরি করা প্রতিমা যাতে সংরক্ষণ করা হয় সেই শর্ত মানলে তিনি প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেন বলে জানালেন। আর এই শর্ত মেনেই গত পাঁচ বছর ধরে দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!