অনুমোদিত খাদানের পাশেই অবৈধ বালির কারবার, উদাসীন প্রশাসন।

খড়গপুর ২৪×৭:-অনুমোদিত খাদানের পাশেই অবৈধ বালির কারবার, উদাসীন প্রশাসন।
হ্যাঁ এমনই ছবি দেখা গেল
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর থানার কাঁসাই নদীর পারে বালি খাদান। সেই খাদান এর অলিতে গলিতে অসাধু ব্যবসা, সিন্ডিকেট আর মাফিয়াদের রাজত্ব। সরকারী অনুমোদনে চলা খাদানের পাশেই রমরমিয়ে চলছে অবৈধ বালির কারবার। একটু একটু করে চুরি হয়ে যাচ্ছে নদীর চর।যতটা এলাকাজুড়ে খাদান এর অনুমতি মেলে তার অনেকগুণ বেশি এলাকা থেকে তোলা হয় বালি। প্রতিদিনই নদীর চর থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে বালি। আর সবটাইপ প্রশাসনের নাকের ডগায়। আইন আছে তবে সেই আইনের ফাঁক গলেই চলছে অসাধু ব্যবসা। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন কী করছে? স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিযোগ প্রতিদিনই এভাবেই নদীর চর থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে বালি। প্রতিবাদ করলে জোটে হুমকি। তাই ভয়ে চুরি দেখেও না দেখার ভান করেন এলাকাবাসীরা। কারণ প্রতিবাদ করতে গেলে জুটে হুমকি। কেশপুর থানার মনিনাগেশ্বর, কুমারী বাজার, ডেবরা রামচন্দ্রপুর, ডিয়াপুর, গোপালপুর সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় কাঁসাই নদীর চর থেকে অবৈধভাবে চলছে বালিচুরি। এক দুটি ট্রাক নয়, ৩০-৪০ জনের টিম করে গাড়ির পর গাড়ি বালি চুরি হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনকে খবর দিলেও। প্রশাসন আসার আগেই এলাকা ফাঁকা হয়ে যায়। কেউ কেউ ইন্দিরা আবাস বাড়ি তৈরির নামেই সাইকেলে করে বালি চুরি করছে। সংবাদমাধ্যম এলাকায় পৌঁছনোর পর প্রশ্ন করলে উত্তর স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি আছে। কিন্তু বালি কার বাড়িতে যাবে প্রশ্ন করলেই নিশ্চুপ সবাই। এভাবেই চলতে থাকায় সরকারি অনুমোদিত বালি ব্যবসায়ীরা মার খাচ্ছে। আর্থিক লোকসানে হচ্ছে রাজ্য সরকারের। দিন দিন এভাবেই বেড়ে চলেছে বালি চুরি। প্রশাসনের দিক থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কিনা সেটা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন?