Thursday, September 23, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরExclusive: শংসাপত্র না মেলায় বিপাকে দাঁতনের ১০০ পরিবার, প্রশাসনের দরজায় কড়া নেড়েও...

Exclusive: শংসাপত্র না মেলায় বিপাকে দাঁতনের ১০০ পরিবার, প্রশাসনের দরজায় কড়া নেড়েও মেলেনি সাড়া

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: জাতীতে সবর কিন্তু মিলছে না জাতিগত শংসাপত্র। এই ছবি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন ব্লকের নিমপুর ও শোলপাট্টা গ্রাম এলাকার। বাংলা-উড়িষ্যা সীমান্ত ঘেঁষা এই গ্রামে প্রায় ১০০ টি সবর জাতির পরিবারের বসবাস। জাতিতে সবার হলেও মিলছে না জাতিগত শংসাপত্র। প্রশাসনের দরজায় কড়া নেড়েও মেলেনি সাড়া।

আবার গ্রামের কেউ কেউ জাতিগত শংসাপত্র পেয়েছেন তারপরেও নতুন করে শংসাপত্র তৈরি করতে পারছেন না কেউই। স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বাপ ঠাকুরদা রা আমলে কেউ কেউ জাতিগত শংসাপত্র পেয়েছেন। তারপরেও নতুন শংসাপত্র তৈরীর জন্য আবেদন করলে ফিরিয়ে দিচ্ছে সরকারি আধিকারিকরা। এমনকি দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে আবেদন জানিয়েও কোন সুরাহা হয়নি।

- Advertisement -

যার জেরে চরম বিপাকে পড়েছে স্কুল পড়ুয়ারা। স্কুল থেকে সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উক্ত এলাকার ছাত্রছাত্রীরা। ছাত্র-ছাত্রীরা জানান, তারা সিডিউল ট্রাইব হয়েও তাদের জেনারেল কাস্ট এর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। ২০১৭ কেউ কেউ পেয়েছেন,,এখন আর শংসাপত্র দেওয়া হচ্ছে না। যার ফলে স্কুলের সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ার জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেলেও এই পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা পাচ্ছেন না। বারংবার বিডিও থেকে শুরু করে সরকারি আধিকারিকদের অভিযোগ জানানোর পরেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। সমাধান না হলে পরবর্তীতে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছে গ্রামবাসীরা।

তবে শংসাপত্র নিয়ে গাফিলতির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন দাঁতন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিক্রম চন্দ্র প্রধান তিনি বলেন, আমি এই বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর করেছিলাম একটি সরকারি অনুষ্ঠানে। তারপরই তিনি জেলাশাসককে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তারপরেই ওই এলাকায় পরিদর্শনে আসেন সরকারি আধিকারিকরা। বাবার শংসাপত্র থাকলেও ছেলের শংসাপত্র হচ্ছে না। আজপর্যন্ত তদন্তও হলো না।
শংসাপত্র নিয়ে প্রশাসনের একটা অংশ এই সরকারের সাফল্য যাতে না হয় মানুষ যাতে সরকারের বিপক্ষে থাকে,,এরজন্য এখনো কিছু সরকারি কর্মচারী থেকে অফিসারা সেই চেষ্টা করছেন।

এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছে বিজেপি। এ ব্যাপারে বিজেপি রাজ্য সম্পাদক তুষার মুখার্জি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বারবার প্রতিশ্রুতি দেন। ওই এলাকার মানুষেরা দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতেও গিয়েছেন কাগজপত্র নিয়ে। দুয়ারে সরকার একটি রাজনৈতিক দলের প্রচার এর জন্য। দুয়ারে সরকার সম্পূর্ণ ফেক। তা না হলে মানুষ দুয়ারে সরকাররে গিয়ে সেখান থেকে বঞ্চিত হতেন না। মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। আধিকারিকদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। কারণ সরকার তাদের, আধিকারিকও তাদের।

অন্যদিকে এ ব্যাপারে সরকারি আধিকারিকদের কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!