Saturday, October 16, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরSpecial Story: নারায়ণগড়ে দুয়ারে শিক্ষা কর্মসূচি করলেন শিক্ষকরা

Special Story: নারায়ণগড়ে দুয়ারে শিক্ষা কর্মসূচি করলেন শিক্ষকরা

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: দুয়ারে শিক্ষা কর্মসূচি শুরু করলেন নারায়ণগড় রাজা হৃষিকেশ লাহা উচ্চ শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষকগণ। মঙ্গলবার থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এইদিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনার পাশাপাশি কিভাবে পড়াশোনা করছে খোঁজ-খবর নিলেন।

দেড় বছর ধরে স্কুল বন্ধ রয়েছে। আর এর মাঝে ছাত্রছাত্রীরা যাতে ভালো ফল করতে পারে এবং যে প্রশ্ন পত্র পাঠানো হচ্ছে বাড়িতে সেগুলো কিভাবে উত্তর পত্র লিখে বাড়িতে পাঠাচ্ছে তার খোঁজ-খবর নিলেন অভিভাবকদের কাছ থেকে। আবার কোন কোন ছাত্রকে পড়ার বিষয় সম্পর্কে বই খুলে অবগত করলেন প্রধান শিক্ষক নিজেই। সরকার জনমুখী কর্মসূচি দুয়ারে সরকার প্রকল্প চালু করেছে। আর এবার নারায়ণগড় স্কুলের পক্ষ থেকে ছাত্র দের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পড়াশুনার খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি পাঠ দিলেন শিক্ষকগণ।

- Advertisement -

এই অভিনব উদ্যোগ সাধুবাদ জানালেন অভিভাবকগণ।স্কুলের সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি শিক্ষকরা যাবেন বলে জানালেন প্রধান শিক্ষক।

স্কুলের নবম শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র অমৃতাংশু সামন্ত বলেন স্যারেরা বাড়িতে এসে একটা গাইডলাইন দিলেন কিভাবে বাড়িতে ভালোভাবে পড়তে হবে। তাঁরা সিলেবাস সম্পর্কে অবগত করালেন।
স্যারেরা কোনটা পড়লে ভালো ফল করা যায় তার দিক নির্দেশ করে দিলেন। এর জন্য ধন্যবাদ সমস্ত স্যারদের।

অভিভাবক সুপ্রভা সামন্ত জানান শিক্ষকেরা এসে আমার ছেলেকে অনেক কিছু বললেন। বোঝালেন। এটি আমার ভালো লেগেছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক হরেকৃষ্ণ বারিক বলেন আমাদের স্কুলের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা গনদের নিয়ে সমস্ত ছেলেদের বাড়ি যাচ্ছি। মূল কারণটা হচ্ছে গত বছর থেকে পঠন-পাঠন প্রায় বন্ধ।অনলাইন ক্লাস চালু করেছি। সেখানে দশ শতাংশ অনলাইন ক্লাস করছে। গতবছর তো পরীক্ষা হয়নি। সরকারিভাবে যে মার্কশিট টা তুলে দেওয়া হয়েছে সেটা কাঙ্ক্ষিত নয়। অথচ ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা হল না অথচ মার্কশিট তুলে দিলাম সেটা না করে যাতে পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে পারি তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কিভাবে পরীক্ষা দেবে এবং বার্ষিক পরীক্ষা সরকারিভাবে না হলেও আমরা বাড়িতে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দিয়ে পরীক্ষা নেব সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে। পড়াশোনার বিষয়ে ছাত্রদের কাছ থেকে ভালোই সাড়া পাচ্ছেন বলে তিনি জানালেন। পাশাপাশি সমস্ত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে শিক্ষক মহাশয় যাবেন বলেও প্রধান শিক্ষক জানান। অপরদিকে বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক সৌমেন কুইলা জানালেন “গত এক বছরের উপর পঠনপাঠন বন্ধ রয়েছে। অনলাইনে পড়াশোনা হচ্ছে।

অভিভাবকরা স্কুলে আসছেন। মডেল এক্টিভিটি টাস্ক ও সঙ্গে মিড ডে মিল নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সন্তানবৎ ছাত্রদের সাথে আমাদের প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে চাক্ষুষ দেখা হয় নি। তাই আমরা আজ সকাল থেকে বেরিয়ে পড়লাম। গ্ৰামে গ্ৰামে প্রত্যেক ছাত্রদের বাড়িতে গিয়ে দেখলাম। তাদের সাথে কথা বললাম। আর বার্তা দিলাম আর কটাদিন পর স্কুল খুললে আমরা আবার সকলে মিলিত হব।”

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!