Saturday, October 16, 2021
Homeজেলাপশ্চিম মেদিনীপুরখড়গপুর শহরে মুখ থুবড়ে পড়ল, দুয়ারে ভ্যাকসিন কর্মসূচি

খড়গপুর শহরে মুখ থুবড়ে পড়ল, দুয়ারে ভ্যাকসিন কর্মসূচি

- Advertisement -

খড়গপুর ২৪×৭ ডিজিটাল: দুয়ারে ভ্যাকসিন কর্মসূচি কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে খড়গপুর শহরে। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে এই কর্মসূচি। আশি বছরের উর্ধ্বে ও বিশেষ সক্ষমদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর বেশিরভাগ মানুষের ধারনা তৈরি হয়েছিল বাড়িতে গিয়ে আশি বছরের উর্ধ্বে ও বিশেষ সক্ষমদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটি না হওয়ায় এই কর্মসূচি কার্যত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে চলেছে। প্রতিদিন খড়গপুর পুরসভার তিন থেকে চারটি ওয়ার্ডের নির্দিষ্ট কোনও জায়গায় টীকাকরণের জন্য পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের গাড়ি যাচ্ছে।

- Advertisement -

সেখানে তালিকা অনুযায়ী আশি বছরের উর্ধ্বে ও বিশেষ সক্ষমদের ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য ডেকে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ আশি বছরের উর্ধ্বে ও বিশেষ সক্ষমরা পৌঁছাতে পারছেন না। তাঁরা চাইছেন বাড়িতে গিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হোক। ফলে প্রতিটি ওয়ার্ডে গড়ে চার থেকে পাঁচ জনকে টীকাকরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের গাড়ি ও কর্মীরা ১৭,১৮,২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে এই দুয়ারে ভ্যাকসিন কর্মসূচি করা হয়। তাতে সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে সবমিলিয়ে আটজন এসেছিলেন ভ্যাকসিন নিতে। আঠারো নম্বর ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য এসেছিলেন দুই জন। আর কুড়ি ও একুশ নম্বর ওয়ার্ডের একটি করে কেন্দ্রে চারজন করে এসেছিলেন ভ্যাকসিন নিতে।

যদিও প্রতিটি ওয়ার্ডে আশা কর্মীরা আশি বছরের উর্ধ্বে ও বিশেষ সক্ষমদের একটি করে তালিকা তৈরি করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আশা কর্মী জানিয়েছেন বেশিরভাগ জানিয়েছেন বাড়িতে গেলে ভ্যাকসিন নেবেন। কেউ কেন্দ্রে যেতে রাজি হচ্ছেন না। তবে এইদিন বহু কষ্ট করে সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের গোপিচক এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে টোটোতে চেপে এসে ভ্যাকসিন নিয়েছেন শহরের বিশিষ্ট লেখক অশীতিপর নন্দদুলাল রায়চৌধুরী।

এই ব্যাপারে খড়গপুর পুরসভার চেয়ারপারসন প্রদীপ সরকার জানিয়েছেন আশি বছরের উর্ধ্বে মানুষজনের সংখ্যা খুবই কম। তাই কেন্দ্রগুলিতে ভিড় হচ্ছে না। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন পুজোর পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। আর পুরসভার স্বাস্থ্য আধিকারিক সুতনুকা সাঁতরা জানিয়েছেন।

আশি উর্ধ্ব মানুষদের একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে হাসপাতালে কিংবা পুরসভার বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ভ্যাকসিন নিয়েছেন। আর কিছু শয্যাশায়ী রয়েছেন যাঁরা আসতে পারছেন না। পুজোর পর এইধরনের শয্যাশায়ী শুধু আশি উর্ধ্ব নয় তারও নিচে বয়সসীমা মানুষদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!