Saturday, August 13, 2022
Homeজেলাপূর্ব মেদিনীপুরনিষেধ সত্ত্বেও জমির খড় জ্বালাচ্ছেন কৃষকরা, মাটি আগুনে পুড়ে হারাচ্ছে উর্বরতা, ছড়াচ্ছে...
Advertisement

নিষেধ সত্ত্বেও জমির খড় জ্বালাচ্ছেন কৃষকরা, মাটি আগুনে পুড়ে হারাচ্ছে উর্বরতা, ছড়াচ্ছে দূষণ।

Advertisement

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা,পাঁশকুড়া়:-সকাল থেকে সন্ধ্যে আগুন জ্বলছে সদ্য ধান কাটা ক্ষেতে। শীতের দিনে উত্তাপের ওম নেওয়া শুধু নয়, ধানের খড় বিচালি জমিতেই পুড়িয়ে ফেলার এক মজার খেলা শুরু হয়েছে। এই ছবি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া ব্লকের এড়াপুর শ্রীমনিচক এলাকায়। যার হিড়িক দেখে আতঙ্কিত কৃষিবিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, বিরাট এক বিপদের মধ্যে পড়তে চলেছেন কৃষকরা। আগামীতে চাষ যেমন বিপন্ন হবে, তেমনি ফলনের অভাবে বিরাট সংকট তৈরী হবে। কৃষিবিজ্ঞানী বলছেন, “ক্ষতিটা যে কত বড় হচ্ছে, কৃষকরা এখনই বুঝতে পারছেন না। খড় পোড়ানোর পরে পটাসিয়ামের মতন ধাতব বস্তু অক্ষত থাকলেও বাকি সমস্ত জরুরী রাসায়নিক পদার্থ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মাটি পুড়ে ইঁটের মতন হচ্ছে। ঐ জমিতে যে সম্পদ উর্বরতার কেন্দ্র গড়েছিলেন কৃষকরা, তা নিমেষে নষ্ট হচ্ছে। পরে জমিতে স্বাভাবিকভাবে চাষ করা কঠিন হবে।”জমিতে আগুন ধরানোর পর কেঁচো থেকে শুরু করে অনেক পোকামাকড়, চাষে যাদের বিরাট ভূমিকা থাকে, তারা যেমন শেষ হয়ে যাচ্ছে, তেমন মাটির গভীরে প্রায় ছ’ফুট আন্দাজ আয়তন জুড়ে সমস্ত শেকড়, ডাল ইত্যাদি পুড়ে মাটির চরিত্র বদলে ফেলছে।

- Advertisement -
Advertisement
- Advertisement -

কৃষিবিজ্ঞানীরা বলছেন, কেঁচো একটি আপাত নগণ্য কীট হলেও চাষের কাজে বিরাট ভূমিকা পালন করে।জমিতে আগুন ধরানোর পর কেঁচো থেকে শুরু করে অনেক পোকামাকড়, চাষে যাদের বিরাট ভূমিকা থাকে, তারা যেমন শেষ হয়ে যাচ্ছে, তেমন মাটির গভীরে প্রায় ছ’ফুট আন্দাজ আয়তন জুড়ে সমস্ত শেকড়, ডাল ইত্যাদি পুড়ে মাটির চরিত্র বদলে ফেলছে। কৃষিবিজ্ঞানীরা বলছেন, কেঁচো একটি আপাত নগণ্য কীট হলেও চাষের কাজে বিরাট ভূমিকা পালন করে।তবে বিকল্প কী? কৃষিবিজ্ঞানীদের পরামর্শ, সরকার হস্তক্ষেপ করুক, পঞ্চায়েত প্রচারে নামুক। চাষ জমিতে আগুন ধরানো বেআইনী ঘোষিত হোক। এই অবস্থায় স্থানীয় পরিবেশপ্রেমীরা প্রশাসনকে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছেন।

Advertisement

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

error: Content is protected !!